দৈনিক নয়া দিগন্ত বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ও নির্ভরযোগ্য গণমাধ্যম, যা প্রতিদিন পাঠকদের কাছে সর্বশেষ খবর, বিশ্লেষণ, ও ঘটনার পেছনের সত্য তুলে ধরার লক্ষ্যে কাজ করে। ২০০৪ সালে প্রিন্ট সংস্করণ হিসেবে এর যাত্রা শুরু। নয়া দিগন্তে জাতীয়, আন্তর্জাতিক, রাজনীতি, অর্থনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম ও লাইফস্টাইলসহ নানা বিষয়ের সংবাদ পরিবেশন করা হয়। তথ্যের নির্ভুলতা, বস্তুনিষ্ঠতা ও সাংবাদিকতার নীতিমালাকে গুরুত্ব দিয়ে প্রতিটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়। সত্যের সঙ্গে প্রতিদিন এই স্লোগানকে ধারন করে নয়া দিগন্ত একটি তথ্যবহুল, দায়িত্বশীল ও পাঠকবান্ধব সংবাদপত্র হিসেবে দেশের মানুষের পাশে থাকা এবং সময়োপযোগী ও প্রাসঙ্গিক খবর সবার আগে পৌঁছে দেয়।

সংস্কারের চেয়ে দলীয় এজেন্ডায় ঝুঁকছে বিএনপি

সংস্কারের চেয়ে দলীয় এজেন্ডায় ঝুঁকছে বিএনপি

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকেই বলছেন, জুলাই চার্টার বাস্তবায়ন মূলত সরকারের সদিচ্ছার ওপরই নির্ভর করছে। সরকার চাইলেই এটি বাস্তবায়ন করতে পারে। যেহেতু এটি বাস্তবায়িত হলে ক্ষমতার একটি ‘চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স’ তৈরি হওয়ার পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে সরকারের জবাবদিহিতার ক্ষেত্র তৈরি হতে পারে, তাই ক্ষমতাসীনরা এটা নিজেদের মতো করেই বাস্তবায়ন করবে, এটাই স্বাভাবিক।

DUCSU 2026
টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত জ্যোতির

টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত জ্যোতির

রফিকুল জানান, যেহেতু এশিয়ান গেমস আসন্ন, এজন্য দলের পারফরমেন্স নিয়ে এখন কোনো আলোচনা করতে তারা আগ্রহী নন।

আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তেই বিশ্বকাপে যায়নি বাংলাদেশ, তদন্তে উঠে এলো আরো যেসব তথ্য

আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তেই বিশ্বকাপে যায়নি বাংলাদেশ, তদন্তে উঠে এলো আরো যেসব তথ্য

তিনি জানান, ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকেই বিসিবিকে চিঠি পাঠিয়ে তাদের সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছিল। বিসিবি সেই সিদ্ধান্তের সাথে দ্বিমত করেনি। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশ নেয়া উচিত ছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তদন্ত কমিটির প্রতিনিধি হিসেবে ফয়সাল বলেন, ‘বাংলাদেশের অবশ্যই বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়া উচিত ছিল।’

২০২৮ ফাইনাল মিউনিখে, ২০২৯ বার্সেলোনায়

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ২০২৮ ফাইনাল মিউনিখে, ২০২৯ বার্সেলোনায়

নারী চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালের ভেন্যু হিসেবে ২০২৮ সালে লিঁও ও ২০২৯ সালে কার্ডিফকে বেছে নেয়া হয়েছে।

সংস্কারের চেয়ে দলীয় এজেন্ডায় ঝুঁকছে বিএনপি

সংস্কারের চেয়ে দলীয় এজেন্ডায় ঝুঁকছে বিএনপি

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকেই বলছেন, জুলাই চার্টার বাস্তবায়ন মূলত সরকারের সদিচ্ছার ওপরই নির্ভর করছে। সরকার চাইলেই এটি বাস্তবায়ন করতে পারে। যেহেতু এটি বাস্তবায়িত হলে ক্ষমতার একটি ‘চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স’ তৈরি হওয়ার পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে সরকারের জবাবদিহিতার ক্ষেত্র তৈরি হতে পারে, তাই ক্ষমতাসীনরা এটা নিজেদের মতো করেই বাস্তবায়ন করবে, এটাই স্বাভাবিক।

ইসির স্থানীয় নির্বাচনের সময়সূচি সম্ভাব্য, চূড়ান্ত নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসির স্থানীয় নির্বাচনের সময়সূচি সম্ভাব্য, চূড়ান্ত নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘নির্বাচন কমিশন আইন অনুসারে চলে। সাংবিধানিকভাবে নির্বাচন কমিশনের দু’টি দায়িত্ব হলো জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠান করা। এর বাইরে আইনে প্রদত্ত অন্যান্য নির্বাচন-সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করার কথা বলা আছে।’

‘৩৬ জুলাই-পরবর্তী নতুন বাংলাদেশ শাপলার চেতনার কাছে ঋণী’

‘৩৬ জুলাই-পরবর্তী নতুন বাংলাদেশ শাপলার চেতনার কাছে ঋণী’

‘শাপলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশে দুটি ধারা স্পষ্ট হয়েছে—একটি নবীপ্রেম, ঈমান ও বিশ্বাসের ধারা এবং অপরটি নাস্তিক্যবাদ ও ইসলামবিদ্বেষের ধারা। ঈমান, বিশ্বাস ও রাসূলপ্রেমের ধারাকে নাস্তিক্যবাদ ও ইসলামবিদ্বেষের কাছে নতজানু হতে দেয়া যাবে না।’

সংস্কারে টানাপড়েন, জবাবদিহিতে ঘাটতি!

সংস্কারে টানাপড়েন, জবাবদিহিতে ঘাটতি!

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কাছে সবচেয়ে বড় প্রত্যাশাগুলোর একটি ছিল রাষ্ট্র ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে সংস্কারের ভিত্তি তৈরি এবং নির্বাহী বিভাগের ওপর কার্যকর সংসদীয় নজরদারি প্রতিষ্ঠা। কিন্তু প্রথম ছয় মাসেই সেই প্রত্যাশার সাথে বাস্তবতার ফারাক স্পষ্ট হয়েছে। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে রাজনৈতিক টানাপড়েন, ৩৯টি মন্ত্রণালয়ভিত্তিক সংসদীয় কমিটির একটিরও সভাপতির পদ বিরোধী দলকে না দেয়া, হাজার হাজার প্রশ্নের উত্তর না পাওয়া এবং সংস্কারসংশ্লিষ্ট আইন দ্রুততার সাথে পাসের ঘটনায় সংসদীয় জবাবদিহি ও সংস্কারপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একই সময়ে তিন অধিবেশনে ১১০টি বিল পাস, বাজেট অনুমোদন ও ৫০টি স্থায়ী কমিটি গঠনের মাধ্যমে সংসদের সক্রিয়তার চিত্রও পাওয়া গেছে। ফলে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম ছয় মাসের মূল্যায়নে সক্রিয়তা ও জবাবদিহির ঘাটতি- দুই বিপরীত চিত্রই সামনে এসেছে।

ব্যাংকিং খাতের ভেতরেই ঋণ-বোমা

ব্যাংকিং খাতের ভেতরেই ঋণ-বোমা

দেশের ব্যাংকিং খাত সম্পর্কে সবচেয়ে অস্বস্তিকর সত্যটি হয়তো নতুন কোনো পরিসংখ্যানে নয়; বরং বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রায় পাঁচ দশকের তথ্যসংগ্রহের ইতিহাসেই লুকিয়ে আছে। ১৯৭৪ সালের জুলাই থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়মিতভাবে দেশের তফসিলি ব্যাংকগুলোর আমানত, ঋণ, অগ্রিম, বিল, সুদের হার, খাতভিত্তিক ঋণ, পুনরুদ্ধার ও বকেয়া অর্থের তথ্য সংগ্রহ করছে। অর্থাৎ ব্যাংকিং খাতে কোথায় ঝুঁকি জমছে- তা জানার মতো তথ্যব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে; কিন্তু সেই তথ্যই এখন একটি কঠিন প্রশ্ন সামনে এনেছে- তথ্য যদি থাকে, ঝুঁকি শনাক্তের ব্যবস্থা যদি থাকে, নিয়ন্ত্রক সংস্থাও যদি থাকে, তাহলে ব্যাংকিং খাতের ঋণঝুঁকি এত ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছাল কিভাবে?

রহস্যে ভরা রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র

রহস্যে ভরা রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র

রামপালের অস্বাভাবিক হারে বন্ধ হওয়ার ইতিহাস নতুন নয়। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর মাত্র সাত মাসের মধ্যে কেন্দ্রটি ছয়বার বন্ধ হয়েছিল। এর মধ্যে ১৬ জুলাই টারবাইনের ত্রুটির কারণে ইউনিট বন্ধ হয়ে চার দিন পর চালু হয়। ৩০ জুলাই আবার কয়লা সঙ্কটে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। তখন কেন্দ্রের কর্মকর্তারা জানান, কয়লা আসার পর ৮ আগস্টের দিকে উৎপাদন আবার শুরু হতে পারে। একই বছরের ডিসেম্বরে ইমপালস টিউব লিকেজের কারণে উৎপাদন বন্ধ হয়। এর আগে নভেম্বরেও যান্ত্রিক সমস্যায় কেন্দ্র বন্ধ হয়েছিল। ২০২৩ সালের ১১ ডিসেম্বরের ওই ঘটনায় কেন্দ্রটি বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর অষ্টমবারের মতো বন্ধ হয়েছিল।

ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে পরবর্তী যুদ্ধের কেন্দ্র কোথায় হবে, সেটিই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। সৌদি আরব ইতোমধ্যে যুদ্ধের অভিঘাত নিজের ভূখণ্ডে অনুভব করছে। তবে ইরান ও সৌদি আরব উভয়েই জানে, সরাসরি যুদ্ধের মূল্য ভয়াবহ। তাই সবচেয়ে সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ হলো— পূর্ণাঙ্গ ইরান-সৌদি যুদ্ধ নয়; বরং একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রক্সি ও অবকাঠামোগত যুদ্ধ। কিন্তু প্রক্সি যুদ্ধের সবচেয়ে বড় বিপদ হলো— কোনো একটি হামলা হঠাৎ করে রাষ্ট্রীয় যুদ্ধের দরজা খুলে দিতে পারে। তখন প্রশ্ন হবে— মধ্যপ্রাচ্যের নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা কে নির্মাণ করবে? যুক্তরাষ্ট্র? চীন? ইরান? সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান? নাকি শক্তিগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মধ্যপ্রাচ্য এমন এক বহুমেরু সঙ্ঘাত অঞ্চলে পরিণত হবে, যেখানে কোনো একক শক্তিই আর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারবে না? সম্ভবত দ্বিতীয়টিই বেশি বাস্তবসম্মত।

লালমনিরহাটে প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির ওপর সন্ত্রাসী হামলা

লালমনিরহাটে প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির ওপর সন্ত্রাসী হামলা

লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাদ আহমেদ জানান, সাংবাদিকের ওপর হামলার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক পুলিশ ঘটনা স্থানে গিয়ে একজনকে আটক করেছে। এঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা চলমান রয়েছে।

টিকা নিয়েও হামে প্রাণহানি হাজার : কোথায় ছিল বাংলাদেশের ভুল?

টিকা নিয়েও হামে প্রাণহানি হাজার : কোথায় ছিল বাংলাদেশের ভুল?

বিশেষজ্ঞদের মতে, এত বেশি সংখ্যক শিশুকে টিকা দেয়ার পরও সংক্রমণ চলতে থাকার একটি বড় কারণ হলো শুরুতেই টিকা পাওয়ার যোগ্য শিশুর সংখ্যা কম ধরে হিসাব করা হয়েছিল। আবার জাতীয় পর্যায়ে টিকাদানের উচ্চ হার দেখালেও অনেক এলাকায় এখনো বিপুলসংখ্যক ঝুঁকিপূর্ণ শিশু রয়ে গেছে।

ফিলিস্তিন পরিস্থিতি না বদলালে ‘নতুন বিস্ফোরণ’ হতে পারে : আরব লীগ

ফিলিস্তিন পরিস্থিতি না বদলালে ‘নতুন বিস্ফোরণ’ হতে পারে : আরব লীগ

ফাহমি বলেন, ৭ অক্টোবরের হামলার আগেই ইসরাইল জানত যে পরিস্থিতি অনিবার্যভাবেই একটি বিস্ফোরণের দিকে এগোচ্ছিল।

গাজার জনগণের বিরুদ্ধে ইসরাইলের নীরব অস্ত্র ক্ষুধা

গাজার জনগণের বিরুদ্ধে ইসরাইলের নীরব অস্ত্র ক্ষুধা

গাজার ৯০ শতাংশেরও বেশি মানুষ খাদ্য কেনার সামর্থ্য রাখে না এবং সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল, কিন্তু ইসরাইল এই সাহায্য প্রবেশে বাধা দিচ্ছে।

গাজায় ইসরাইলি হামলায় একই পরিবারের ৪ সদস্য নিহত

গাজায় ইসরাইলি হামলায় একই পরিবারের ৪ সদস্য নিহত

যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ফিলিস্তিনি অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় একটি বাড়ি লক্ষ্য করে চালানো ইসরাইলি বিমান হামলায় একই পরিবারের চার সদস্য নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) এ হামলা চালানো হয়।

ইসরাইলের মিত্র হচ্ছে স্লোভেনিয়া

ইসরাইলের মিত্র হচ্ছে স্লোভেনিয়া

ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরাইলের আচরণ নিয়ে সম্প্রতি ইউরোপের বেশিভাগ দেশের সাথে ইসরাইলের সম্পর্কে শীতলতা তৈরি হলেও স্লোভেনিয়া এই প্রবণতার বিপরীত পথে হাঁটছে।

ফিলিস্তিনিদের বহিষ্কারের ইসরাইলি পরিকল্পনার অজানা দিক

ফিলিস্তিনিদের বহিষ্কারের ইসরাইলি পরিকল্পনার অজানা দিক

আগামী সাত বছরের মধ্যে গাজা উপত্যকা থেকে প্রায় ২০ লাখ ফিলিস্তিনিকে বহিষ্কারের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নে বড় ধরনের বাধা রয়েছে।