মতামত

1

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ভুলের পুনরাবৃত্তি নয়

শিক্ষাব্যবস্থা দলীয় প্রভাবমুক্ত রাখা শুধু একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়। এটি দেশের ভবিষ্যতের ওপর বিনিয়োগ। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচিত এই প্রবিধানমালা চূড়ান্ত করার আগে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করা। দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে রাজনীতিমুক্ত, স্বচ্ছ ও মানসম্মত রাখতে মেধা ও যোগ্যতানির্ভর প্রবিধানমালা বহাল রাখা প্রয়োজন।

2

ডাকসু সংগ্রহশালায় ভাঙচুর যুক্তিহীন উগ্রতা অগ্রহণযোগ্য

ইতিহাস রক্ষা ও নির্মোহ মূল্যায়ন কারো খামখেয়ালিপনার ওপর ছেড়ে দেয়া যায় না। ডাকসু সংগ্রহশালার সংগ্রহ নিয়ে যাদের আপত্তি, পরামর্শ বা নতুন কোনো তথ্য-প্রমাণ দিতে চান, তাদেরকে ডাকসুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে লিখিত পরামর্শ ও ঐতিহাসিক উপকরণ জমা দেয়া উচিত বলেই আমরা মনে করি। বিতর্ক থাকবে; কিন্তু তা নিরসনের পথ হতে হবে বুদ্ধিবৃত্তিক ও নিয়মতান্ত্রিক। অপরাধমূলক সংস্কৃতিকে প্রশ্রয় না দিয়ে ডাকসু সংগ্রহশালাকে বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে গড়ে তোলা প্রয়োজন। যারা বিশ্ববিদ্যালয়কে ফ্যাসিবাদ সময়ের মতো উন্মাদনার আখড়া বানাতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেয়া জরুরি।

ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে পরবর্তী যুদ্ধের কেন্দ্র কোথায় হবে, সেটিই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। সৌদি আরব ইতোমধ্যে যুদ্ধের অভিঘাত নিজের ভূখণ্ডে অনুভব করছে। তবে ইরান ও সৌদি আরব উভয়েই জানে, সরাসরি যুদ্ধের মূল্য ভয়াবহ। তাই সবচেয়ে সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ হলো— পূর্ণাঙ্গ ইরান-সৌদি যুদ্ধ নয়; বরং একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রক্সি ও অবকাঠামোগত যুদ্ধ। কিন্তু প্রক্সি যুদ্ধের সবচেয়ে বড় বিপদ হলো— কোনো একটি হামলা হঠাৎ করে রাষ্ট্রীয় যুদ্ধের দরজা খুলে দিতে পারে। তখন প্রশ্ন হবে— মধ্যপ্রাচ্যের নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা কে নির্মাণ করবে? যুক্তরাষ্ট্র? চীন? ইরান? সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান? নাকি শক্তিগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মধ্যপ্রাচ্য এমন এক বহুমেরু সঙ্ঘাত অঞ্চলে পরিণত হবে, যেখানে কোনো একক শক্তিই আর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারবে না? সম্ভবত দ্বিতীয়টিই বেশি বাস্তবসম্মত।

কলকাতায় ৯ বাংলাদেশীর মৃত্যুতে প্রশ্নের মুখে হোটেল নিরাপত্তা, চাই নিরপেক্ষ তদন্ত

সুতরাং আগুন কীভাবে লাগল—তার নিরপেক্ষ উত্তর চাই। কার গাফিলতিতে মানুষ মরল—তার জবাব চাই। নাশকতা হলে তার প্রমাণ ও বিচার চাই। অপরাধমূলক অবহেলা হলে দায়ীদের শাস্তি চাই। আহতদের পূর্ণ চিকিৎসা চাই। নিহতদের লাশ দ্রুত ও মর্যাদার সঙ্গে দেশে ফেরত চাই। আর নিহত ও আহতদের পরিবারকে ন্যায়সঙ্গত ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে কার্যকর রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ চাই।

কবি মতিউর রহমান মল্লিক

কবি মতিউর রহমান মল্লিক বাংলাদেশে ইসলামী গানের একজন আলোচিত গীতিকার, সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী। শৈশব থেকে তিনি বিভিন্ন ধরনের সংগঠন গড়ে তুলতে থাকেন। বাংলাদেশে সাহিত্য সংস্কৃতির একটি নতুন ধারা তৈরি করে গেছেন তিনি। যেটি এদেশের বেশির ভাগ মানুষের বিশ্বাস, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাথে মিশে আছে।

কিশোর গ্যাং : আমাদের ব্যর্থতা

একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে হলে কিশোরদের হাতে অস্ত্র নয়, বই; ভয় নয়, আত্মবিশ্বাস; গ্যাং নয়, নেতৃত্বের ইতিবাচক সুযোগ তুলে দিতে হবে। কারণ আজকের কিশোরই আগামী দিনের নাগরিক। তাদের হারিয়ে ফেলা মানে ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেয়া।

হাতে মোবাইল, নাকি মোবাইলের হাতে আমরা?

‘দুনিয়াতে মোবাইল বহন করা সহজ, কিন্তু আখিরাতে মোবাইলের দায়ভার বহন করা অত্যন্ত কঠিন হবে।’

বুড়ি ভদ্রা নদীতে নেটের জাল

মৎস্য বিভাগ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। নেটের জাল, কচুরিপানা ও অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা অপসারণে কার্যকর অভিযান পরিচালনা করুন।

বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়ান

আসুন, আমরা ভেদাভেদ ভুলে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াই। আমাদের সম্মিলিত সহমর্মিতা ও সহযোগিতাই পারে তাদের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করতে এবং নতুন করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়ার শক্তি জোগাতে।

পার্থেনিয়ামের আগ্রাসন

‘পার্থেনিয়াম নির্মূলে শুধু এক দিনের অভিযান যথেষ্ট নয়। ফুল ফোটার আগেই শিকড়সহ গাছ তুলে নিরাপদ উপায়ে ধ্বংস করতে হবে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ

একই সাথে সঙ্কটের প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করা এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া জরুরি। জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত ও বাস্তবসম্মত উদ্যোগ গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।