সম্পাদকীয়

শিক্ষাব্যবস্থা দলীয় প্রভাবমুক্ত রাখা শুধু একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়। এটি দেশের ভবিষ্যতের ওপর বিনিয়োগ। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচিত এই প্রবিধানমালা চূড়ান্ত করার আগে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করা। দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে রাজনীতিমুক্ত, স্বচ্ছ ও মানসম্মত রাখতে মেধা ও যোগ্যতানির্ভর প্রবিধানমালা বহাল রাখা প্রয়োজন।

সম্পাদকীয়

ভুলের পুনরাবৃত্তি নয়

দরকার দায়বদ্ধতা

দরকার দায়বদ্ধতা

সম্পাদকীয়

সঙ্কটে সংবাদপত্র শিল্প

সঙ্কটে সংবাদপত্র শিল্প

সম্পাদকীয়

কূটনৈতিক সমাধান দরকার

কূটনৈতিক সমাধান দরকার

অতীতে ভারতের সাথে নানা সীমান্তবিরোধ নিষ্পত্তি হয়েছে; কিন্তু গত আওয়ামী লীগ সরকার মুহুরীর চর সীমান্ত সমস্যার সমাধান করতে পারেনি। সমস্যা জিইয়ে রাখা কোনোভাবেই কাম্য নয়। বাংলাদেশকে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করতে হবে। মুহুরীর চরের মানুষের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে।

সম্পাদকীয়

বাস্তবায়নই আসল কথা

বাস্তবায়নই আসল কথা

গ্রামীণ কুটিরশিল্পের বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী পণ্য আমাদের অহঙ্কার; কিন্তু যথাযথ সুরক্ষা দিতে না পারায় সেগুলো ক্রমে হারিয়ে যাচ্ছে। যেমন— শীতল পাটি, শতরঞ্জি, তাঁতবস্ত্র, তৈজসপত্র, কাঁসা-পিতল শিল্প, মৃৎ ও বুনন শিল্পের মতো অনেক ঐতিহ্য আমরা ধরে রাখতে পারিনি। প্রকল্পটি সফল হলে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে যাবে। সেই সাথে সারা দেশে সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে। নিঃসন্দেহে এটি মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে টেকসই সুফল বয়ে আনতে পারে।

সম্পাদকীয়

এই দায় বিআরটিএ’র

এই দায় বিআরটিএ’র

সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএ’র ভূমিকা নিয়ে। আদালতের কাছে সংস্থাটির দাবি, তারা স্লিপার বাসের কোনো অনুমোদন দেয়নি। একই সাথে সংস্থাটির প্রধান এসব যান চলাচলের খবরই জানতেন না! প্রশ্ন ওঠে— একটি বাসের রুট পারমিট, ফিটনেস সনদ এবং নিয়মিত চেকিং ছাড়া কিভাবে বিপুলসংখ্যক বাস বছরের পর বছর রাজধানীর গাবতলী, আমিনবাজার ও যাত্রাবাড়ীর প্রকাশ্য গ্যারেজে রূপান্তর হয়ে রাস্তায় নামল? বাসমালিক সমিতির দাবি, আর্থিক সুবিধা নিয়ে বিআরটিএ’র কিছু কর্মকর্তা অনুমোদন ছাড়া গাড়ি চলাচলের সুযোগ করে দিয়েছেন। এই দাবি সত্য হলে নিশ্চয় এর দায় বিআরটিএ’র ওপর বর্তায়।

সম্পাদকীয়

বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগে দুর্নীতি নয়

বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগে দুর্নীতি নয়

শেখ হাসিনা দেশে অনিয়ম দুর্নীতিতে সয়লাব করে গেছেন। তিনি এই দুর্নীতি সংক্রমণ বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানেও ছড়িয়েছেন। দুর্ভাগ্য হচ্ছে— এজন্য দুর্নামের শিকার হতে হলো বাংলাদেশকে। এ থেকে আমাদের শিক্ষণীয় আছে। দেশে আমরা দুর্নীতির রাশ টেনে ধরতে না পারলেও অন্তত সতর্ক থাকতে হবে বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানে নিজেদের প্রতিনিধি নির্বাচনে। যাতে দেশীয় অনিয়ম দুর্নীতির হাত ধরে ওই সব প্রতিষ্ঠানে অযোগ্য অদক্ষ কোনো লোক নিয়োগ দিয়ে না বসি। সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের অবমাননাকর পদত্যাগ থেকে আমাদের এ শিক্ষা নিতে হবে।

সম্পাদকীয়

মূলত সংস্কারের তাগিদ

মূলত সংস্কারের তাগিদ

উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক মূল্যায়ন বিশ্বব্যাপী একটি স্বীকৃত পদ্ধতি। তবে প্রক্রিয়াটি পরিচালিত হওয়া উচিত বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব প্রশাসনিক ও একাডেমিক নিয়মনীতির অধীনে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ প্রতিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উচিত ডাকসুর এই উদ্যোগ থেকে প্রাপ্তপাঠ ও শিক্ষার্থীদের আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে অবিলম্বে নিজস্ব বৈজ্ঞানিক ও সুরক্ষিত প্ল্যাটফর্মে ‘টিচিং ইভালুয়েশন’ নীতিমালা কার্যকর করা। যেখানে মূল্যায়নের ফল কেবল সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও বিভাগীয় প্রধানের কাছে পৌঁছাবে, যা শিক্ষককে নিজের উন্নতির সুযোগ দেবে। সেই সাথে উচ্চশিক্ষার ভাবমর্যাদাও রক্ষা করবে।

সম্পাদকীয়