নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে গণভবনের পেছনের সাবেক বাণিজ্যমেলার মাঠ থেকে বেশ কয়েকটি ককটেল ও পেট্রলবোমা উদ্ধার হয়েছে। সেখানে আরো ককটেল ও বোমা থাকতে পারে এই সন্দেহে (রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত পাওয়া খবরে) মাঠ ঘিরে রেখেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। ঘটনাস্থলে তল্লাশি করছিল বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট।
এসআরবি জানায়, গতকাল সোমবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাবেক বাণিজ্যমেলার মাঠে অভিযান চালায় এসআরবি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অভিযানে ২০টির বেশি ককটেল ও পেট্রলবোমার সন্ধান পাওয়া গেছে।
এসআরবি-২-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নায়মুল হাসান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাবেক বাণিজ্যমেলার মাঠে অভিযান চালিয়ে এসব বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা বিস্ফোরকগুলো নিষ্ক্রিয় করতে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে ডাকা হয়েছে।
বিস্ফোরকগুলো সেখানে কিভাবে এল এবং এর সাথে কারা জড়িত, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। উদ্ধার অভিযান ও বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয় করার কাজ শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যেতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এসআরবির স্কোয়াড্রন লিডার নিফাজ বলেন, আমাদের টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করেছে। একটি ব্যাগের ভেতর বেশ কিছু বোমা পাওয়া গেছে। সেখানে আরো বিস্ফোরক রয়েছে কি না, তা জানতে এলাকায় তল্লাশি চলছে।
সিলেটে এসআরবির অভিযানে গোলা বারুদ, হ্যান্ড গ্রেনেড উদ্ধার
সিলেট ব্যুরো জানায়, সিলেটের জৈন্তাপুরে সাফরি নদীর পাড়ে থানা থেকে লুট হওয়া থ্রি-নট-থ্রি রাইফেলের ১১১ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৯। এ সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় দু’টি রাইফেল ম্যাগজিন ও দু’টি হ্যান্ড গ্রেনেডও উদ্ধার করা হয়। রোববার পরিচালিত অভিযানে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র-গোলাবারুদের সাথে সংশ্লিষ্ট কাউকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি।
সোমবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন এসআরবি-৯-এর গণমাধ্যম কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ।
এসআরবি সূত্র জানিয়েছে, রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-৯, সদর কোম্পানি সিলেটের একটি দল জৈন্তাপুর থানার বাউরভাগ মল্লিফৌদ গ্রামের নুরুল ইসলামের বাড়ির সামনে সাফরি নদীর পাড়ে ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে এসব আলামত উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা দু’টি হ্যান্ড গ্রেনেড বিস্ফোরক দ্রব্য হওয়ায় বিধি অনুযায়ী বোমা ডিসপোজাল ইউনিট দিয়ে সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। অন্য আলামতগুলো পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জিডি মূলে জৈন্তাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া লুটের অস্ত্র ও গোলাবারুদের সাথে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখতে এসআরবি-৯-এর তদন্ত কার্যক্রম চলছে। একই সাথে লুট হওয়া অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধারে গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।





