ছাতক (সুনামগঞ্জ) সংবাদদাতা 
৪৯তম বিসিএসে ১২তম স্থান অধিকার করে ক্যাডারে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও গেজেটে নাম আসেনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিার্থী রেদওয়ান আহমদ তাহমিদের। গত বুধবার গেজেট প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ট্যাটাসে তিনি অভিযোগ করেন, তার বাবা জামায়াতের স্থানীয় রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকার কারণেই হয়তো পুলিশ ভেরিফিকেশনে তাকে তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। 
তাহমিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০১৮-১৯ শিাবর্ষের শিার্থী। তিনি জানান, গত বছরের জুন মাস থেকে চাকরির প্রস্তুতি শুরু করেন তিনি। প্রথমে তিনি ব্যাংকের প্রিলিমিনারি ও লিখিত উভয় পরীায় কৃতকার্য হন এবং পরে ৪৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারিতেও উত্তীর্ণ হন। তবে ৪৯তম বিসিএসের পরীার তারিখ মাত্র ২০ দিন বাকি থাকায় তিনি ৪৭তমের লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি স্থগিত রেখে ৪৯তমের প্রস্তুতিতে মনোযোগ দেন। এ পরীায় তিনি সফলভাবে উত্তীর্ণ হন এবং বিভাগের শিকদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ নিয়ে ভাইবায় অংশ নেন। প্রথম ভাইবা হলেও তার পরীা অত্যন্ত ভালো হয় এবং পিএসসি থেকে তাকে ক্যাডারে চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়। 
তাহমিদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিসিএসের মতো সম্মানজনক চাকরিতে সুপারিশ পাওয়ার ওপর ভরসা রেখে তিনি আগে আবেদন করা অন্তত ১০-১৫টি চাকরির পরীায় আর অংশ নেননি। তার স্ট্যাটাসে তিনি পারিবারিক কষ্টের কথাও তুলে ধরেন। ঢাকায় এক করে বাসায় স্ত্রীকে নিয়ে থাকেন তিনি। কিন্তু গেজেটে তার নাম না থাকায় পরিবারে হতাশা নেমে এসেছে বলে জানান তাহমিদ। 
তিনি আরো জানান, পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় পরিবারের কেউ রাজনীতির সাথে যুক্ত কি না জানতে চাওয়া হয়। তবে গেজেটে তার নাম না থাকার আনুষ্ঠানিক কারণ এখনো জানা যায়নি। বিষয়টি নিয়ে তিনি ন্যায়সঙ্গত তদন্ত ও কারণ প্রকাশের প্রত্যাশা করেন। তিনি আরো জানান, দীর্ঘ অপোর পর এমন পরিস্থিতিতে তিনি মানসিক ও আর্থিকভাবে চাপে পড়েছেন এবং দ্রুত বিষয়টির সুষ্ঠু নিষ্পত্তি চান।