বিশেষ সংবাদদাতা
নারীদের অংশগ্রহণের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তাদের কার্যকর অংশগ্রহণ। এ জন্য নারীদের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, দেশের মানুষের সংস্কৃতি, বিশ্বাসের কথা বিবেচনায় রেখে নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিতের কৌশল নির্ধারণ করতে হবে।
গতকাল আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ইউএন ইলেকটোরাল প্রজেক্টের আয়োজনে জেন্ডার ইকুয়ালিটি নিয়ে কর্মশালায় এ কথা বলেন তিনি।
সিইসি বলেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারী ভোটারের অংশগ্রহণ হবে অনেক; কিন্তু নারী প্রার্থী থাকবে অল্প। এখানে পরিবর্তন আনা কঠিন। বিশাল পরিসরের সচেতনতামূলক পরিচালনা করতে হবে। নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে তথ্যনির্ভর পলিসি প্রণয়ন করতে হবে।
কর্মশালায় নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, আশা করি প্রত্যেক রাজনৈতিক দল ভোটার অনুপাতে নারী প্রতিনিধিত্ব বাড়াবে। শুধু আইন দিয়ে নয়, দলীয় দৃষ্টিভঙ্গিতেও পরিবর্তন প্রয়োজন।
নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করতে হবে। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। ভোটার, প্রার্থী এবং অংশীজনদের হয়রানি প্রতিরোধ করতে হবে।
নির্বাচন কমিশনার তাহমিদা আহমদ বলেন, পাঁচ তারকা হোটেলে বসে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করলে নারীর সমতা আসবে না। সমতা আনতে মাঠপর্যায়ে কাজ করতে হবে। নারী ভোটার বাড়াতে হলেও গ্রামাঞ্চল ও উপকূলীয় অঞ্চলে যেতে হবে। নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ বলেন, ভোটার তালিকায় শুধু নারী ভোটারের সংখ্যা বাড়ানোই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়; বরং তাদের প্রকৃত ক্ষমতায়নের পরিধি বিস্তৃত করতে হবে। মূলত ভোটার হিসেবে, প্রার্থী হিসেবে, রাজনৈতিক দলের ভেতরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ পর্যায়ে এবং বিভিন্ন বেসরকারি ও উন্নয়নমূলক সংস্থায় তাদের সমান অংশীদারত্ব তৈরির মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা জরুরি।





