বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) স্লুইস গেট বাঁধের এক পাড়ের গাছ কেটে সাবাড় করা হচ্ছে। গাছের গোড়া তুলে নেয়ায় বাঁধে অসংখ্য গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এতে বাঁধটি হুমকির মুখে পড়বে বলে এলাকাবাসীর আশঙ্কা। স্থানীয় এক যুবদল নেতা ও স্বজনরা গাছগুলো বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গছে।
পাউবো বরিশাল কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৩-৯৪ অর্থবছরে রত্নপুর ইউনিয়নের স্লুইস গেট-থানেশ্বর এলাকায় বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধের এক পাশে স্থানীয় লোকজন মেহগনি গাছ রোপণ করে। নিয়ম অনুযায়ী এসব গাছের মালিক পাউবো। প্রতিষ্ঠানটি এসব গাছ কেটে বিক্রি করবে। পরে তারা গাছ বিক্রির টাকার একটি অংশ স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ভাগ করে দেবে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, পাউবোর অনুমতি ছাড়াই ৭-৮ দিন ধরে রত্নপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সদস্য ছলেমান সরদার ৫০টি গাছ বিক্রি করেছেন ও কিছু গাছ কেটে ফেলেছেন। সরেজমিন দেখা যায়, ছলেমান সরদার ১০-১২টি গাছ কেটে নিয়েছেন। গাছের গোড়া মাটি খুঁড়ে তুলে নেয়ায় বাঁধে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। বিক্রি করে দেয়া ৫০টি গাছের বর্তমান বাজারমূল্য পাঁচ লক্ষাধিক টাকা। পার্শ্ববর্তী এলাকার ব্যবসায়ী কালাম এসব গাছ কিনছেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ছলেমান সরদার বলেন, আমি এই জায়গা লিজ এনেছি। তাই আমি গাছ বিক্রি করেছি। রত্নপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, গত বুধবার স্থানীয় একাধিক লোকজনকে নিয়ে আমি এই গাছ কাটতে বাধা দেই। ব্যবসায়ী কালাম বলেন, আমি মালিকদের কাছ থেকে গাছগুলো কিনেছি।
আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারিহা তানজিন বলেন, ‘আমার ও বন কর্মকর্তার গাছ বিক্রির বিষয় জানা নেই। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি।
পাউবোর বরিশাল কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: খালেদ বিন অলীদ বলেন, গাছ কাটার বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে লোক পাঠাচ্ছি।