আন্তর্জাতিক শ্রীকৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘের (ইসকন) আয়ের উৎস প্রকাশ করতে হবে বলে দাবি তুলেছে ইনকিলাব মঞ্চ। একই সাথে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
গতকাল সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি তোলেন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদি।
শরীফ উসমান হাদি বলেন, ইসকনের প্রতিষ্ঠা হয় আমেরিকায়। নানা দেশে তাদের শাখা আছে, কার্যক্রম আছে। সেই হিসেবে তারা একটি এনজিও প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী এনজিও কখনো পলিটিক্স করতে পারবে না। ঢাকা ঘেরাও করতে চাওয়া, বাংলাদেশের জনসাধারণের বিরুদ্ধে সভা এবং দাবি তোলা- এটা কি একটি এনজিও করতে পারে? এনজিও না হলে ইসকন কী রাজনৈতিক নাকি ধর্মীয় সংগঠন এটা তাদেরকে পরিষ্কার করতে হবে, তাদের সব অর্থনৈতিক উৎস জনসম্মুখে জানাতে হবে।
ইসকনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গণমাধ্যমে এসেছে নানা সময় সিলেটে ও সাভারে ১৩ কোটি টাকা হর্ষবর্ধন শ্রিংলা দিয়েছে। প্রকাশ্যেই যদি এত টাকা তারা দেয় তাহলে গোপনে কত দেয় তা সহজেই অনুমেয়। এই ঢাকারই সনাতনীদের অভিযোগ, ইসকন তাদের জমির জাল দলিল তৈরি করে দখল করেছে। সরকারের কাছে জানতে চাই ইসকন কোন আইনে কোন মন্ত্রণালয়ের আন্ডারে কাজ করার সুযোগ পেল! সরকারকে অবিলম্বে স্বাধীন কমিশন গঠন করতে হবে ইসকন নিয়ে। আর সরকার যদি এসব পদক্ষেপ না নেয় তাহলে আমরা আইনের পথে হাঁটব।