ভোলার চরফ্যাসনে বজ্রপাত এবং পানিতে ডুবে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পৃথক চারটি দুর্ঘটনায় এ মৃত্যু হয়।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে বাড়িতে ফজরের নামাজ শেষ করে রাস্তায় হাঁটতে বের হয়ে পানিতে ডুবে মো: ছিদ্দিক (৬৯) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। তিনি দুলারহাট থানা এলাকার আমিনাবাদ ইউনিয়নের ফরিদাবাদ গ্রামের মৃত মতলব মিয়ার ছেলে। পরিবার জানিয়েছে, তিনি মৃগী রোগে আক্রান্ত ছিলেন।
একই সময় উপজেলাটির ওসমানগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে পানিতে ডুবে তানজিম নামের দুই বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশুটির বাবার নাম কালাম উদ্দিন আজাদ। খেলতে গিয়ে অসাবধানতাবশত শিশুটি পুকুরের পানিতে ডুবে মারা যায়।
একই দিন বেলা ৩টার দিকে এওয়াজপুর ও হাজারিগঞ্জ ইউনিয়নে বজ্রপাতে মোশাররফ হোসেন লিটন ও শিহাব উদ্দিন নামের আরো দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। এদের মধ্যে লিটন পেশায় দলিল লেখক। তার বাড়ি এওয়াজপুর ইউনিয়নের পশ্চিম এওয়াজপুর গ্রামে। তার বাবার নাম মো: মোফাজ্জল হোসেন নসু মিয়া।
শিহাব উদ্দিন হাজারিগঞ্জ ইউনিয়ন সংলগ্ন মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে যায়। বিকেলের দিকে হঠাৎ ঝড়বৃষ্টি শুরু হলে তিনি নৌকা থেকে নেমে মাইনুদ্দিন মাছঘাট এলাকায় রওনা দেন। পথেই বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়। তার বাবার নাম মো: রফিজল হক। তিনি চর ফকিরা গ্রামের বাসিন্দা।