নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত লিলি বেগম (৫০) নামের এক নারীর লাশ নিয়ে বিক্ষোভ করেছে তার স্বজন ও এলাকাবাসী। এ সময় তারা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন।
সোমবার (২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় শিমরাইল এলাকায় লাশটি নিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে তারা।
এর আগে, লিলি বেগম সোমবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের নয়াআটি মুক্তিনগর এলাকায় এ হামলা হয়। এছাড়াও এ হামলায় আশাবুদ্দিন (৫৫), তার ছেলে মো: নাঈম (৩৪), নাজমুল (৩২), ইমু (৩০), রোমান হোসেন (২৪) গুরুতর আহত হয়েছেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, জমি নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে একই এলাকার চান্দু মাধবরের সাথে তাদের বিরোধ চলছিল। আদালতে জমির মালিকানার পক্ষে রায় পাওয়ার পর জমিতে গেলে চান্দু মাধবর, তার ছেলে মনির হোসেন, গণি মিয়া ও ওয়াদুদসহ শতাধিক বহিরাগত তাদের ওপর হামলা চালান।
ভুক্তভোগী পরিবার আরো অভিযোগ করে, হামলার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহবুব ও তার টিম কোনো সহায়তা করেনি। হামলায় আহতদের পুলিশ পিকআপে তুলে আদমজী এলাকায় নামিয়ে দেয়।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই মাহবুব বলেন, ‘তাদের সামনে কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি। আহতদের সহযোগিতা করা হয়েছে।’
ওসি আল মামুন জানান, ‘নিহতের ঘটনায় ময়নাতদন্ত ছাড়া সঠিক কারণ বলা সম্ভব নয়।’
উল্লেখ্য, সোমবার সন্ধ্যায় নিহত লিলি বেগমের লাশ নিয়ে স্বজন ও এলাকাবাসী ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড়ে বিক্ষোভ করেন। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে বিক্ষোভকারীরা লাশ নিয়ে চলে গেলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।





