সেতু নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে আট বছর আগে। সেতু নির্মাণ কাজ শেষ হলেও সেতুর দু’পাশের সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় বাঁশের সিঁড়ি বেয়ে সেতুতে উঠতে হচ্ছে এলাকাবাসীর। এতে দুর্ভোগ শেষ না হয়ে বরং বেড়েছে। সেততে উঠতে গিয়ে অনেককেই পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে। প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার মাঝকান্দি-খাগড়াবাড়িয়া সড়কে খালের ওপর তিনটি সেতু নির্মাণে লাখ লাখ টাকার দুর্নীতি ও অনিয়ম হয়েছে। সম্পূর্ণ কাজ শেষ না করে বিল ও জামানতের টাকা উত্তোলন করে নিয়ে যায় ঠিকাদার। গত বুধবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) গোপালগঞ্জ জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো: সোহরাব হোসেন সোহেলের নেতৃত্বে তদন্ত দলের সরেজমিন অনুসন্ধানে উঠে আসে এসব অনিয়ম-দুর্নীতির চিত্র।

মাইজকান্দি গ্রামের বাসিন্দা মো: বেল্লাল খান জানান, সিঁড়ি বেয়ে সেতুতে উঠতে গিয়ে শিশু ও বৃদ্ধরা মাঝে মধ্যে সিঁড়ি থেকে পড়ে আহত হয়। মোরাদ তালুকদার জানান, সেতু থেকে পড়ে আহত হয়ে তার বাম পা কেটে ফেলতে হয়েছে।
ওড়াকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান বদরুল আলম বিটুল বলেন, জেলা পরিষদ মাইজকান্দি-খাগড়াবাড়িয়া সড়কে আড়কান্দি এলাকায় তিনটি সেতু নির্মাণ করেছে। কিন্তু সেতুগুলোর অ্যাপ্রোচ না করেই কাজ সম্পন্ন দেখিয়ে ঠিকাদারকে বিল পরিশোধ করে দেয়। দীর্ঘ আট বছর ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে এলাকাবাসী।
দুদকের জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো: মশিউর রহমান বলেন, ‘আমরা গত বুধবার প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদফতর জেলা পরিষদের পরিচালিত অভিযানে দুর্নীতির সত্যতা পেয়েছি। রেকর্ডপত্র সংগ্রহ ও পর্যালোচনা করে মামলা রুজু করার জন্য সুপারিশ করে কমিশন বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।