ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার স্বরুপপুর ইউনিয়নের পোড়াপাড়া সরকারি বাওড়ের জমি দখল নিতে পুলিশ দিয়ে হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এলাকাবাসী ও পোড়াপাড়া বাওড় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, এই বাওড়টি ইফাদ প্রকল্পের আওতায় তিনটি মৌজায় ৯১ হেক্টর সরকারি বাওড়ে মৎস্যজীবীরা সমিতির মাধ্যমে মাছ চাষাবাদ করে আসছে। এর মধ্যে জে এল ৬৩ কাকিলাডাঙ্গা মৌজার ৪০ একর ৯৫ শতক বাওড়ের জমির মধ্যে এক একর ৬৬ শতক জমি মোমিনুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি ধানীজমি বলে হাল রেকর্ড করে জমি দখল নিতে যায়। কিন্তু ২৫ ও ৬২ সালের রেকর্ড সরকারের বাওড় হিসাবে অন্তর্ভুক্ত থাকায় তৎকালীন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শরীফ শাওন সরেজমিন তদন্ত করে জলাকর ভূমি থাকায় ধানী হিসাবে মোমিনুল সেই জমির কেস খারিজ করে দেয়। এর পর মোমিনুল ইসলাম তৎকালীন এমপি সালাউদ্দিন মিয়াজির কাছে জমি উদ্ধারের অভিযোগ করলে তিনি স্বরুপপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও বাওড়ের সদস্যদের ডেকে নিজ অফিসে বসে শালিস বিচার বসান। সেখানে মোমিনুল ইসলামকে জাল-জালিয়াতি করে সরকারি বাওড়ের জমি ধানী বলে রেকর্ড করার সমালোচনা করে বিচার মজলিস থেকে বের করে দেন।
বাওড়ের সভাপতি ওমেদুল জানান, এক একর ৬৬ শতক সরকারি জমি জাল-জালিয়াতি করে কাকিলাডাঙ্গা গ্রামের মোমিনুল নামের এক ব্যক্তি হাল রেকর্ড ধানী বলে করে নিয়ে এসে জমি দখল করতে চায়। কিন্তু সেখানে জলাশয়। পরে আমাদের বিরুদ্ধে অনেক জায়গায় মামলা দিলে সেখানে সরকারের জমি সরকারের নামেই থাকে। ১০ দিন পূর্বে মহেশপুর থানার ওসি ডেকে পাঠায়। পরে আমিসহ বাওড়ের সেক্রেটারি আব্দুল হাকিম ও ক্যাশিয়ার শিরাজুল ইসলাম থানায় গেলে ওসি ফয়েজ আহম্মেদ বলেন জমি দুই দিনের মধ্যে ছেড়ে না দিলে চাঁদাবাজির মামলা দিয়ে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়। তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে তারা জানান।
এ ব্যাপারে মহেশপুর থানার ওসি ফয়েজ আহম্মেদ বলেন, সেই এসিল্যান্ড বদলি হয়ে গেলে বাওড়ের লোকজন ওই জমি থেকে তাকে উচ্ছেদ করে এবং তার কাছে চাঁদা দাবি করলে তিনি আমার কাছে একটি অভিযোগ দাখিল করেন।
মহেশপুরে সরকারি বাওড়ের জমি দখল নিতে ওসির হুমকি
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার স্বরুপপুর ইউনিয়নের পোড়াপাড়া সরকারি বাওড়ের জমি দখল নিতে পুলিশ দিয়ে হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসী ও পোড়াপাড়া বাওড় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, এই...





