সদ্যঘোষিত নাটোর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটিতে গুরুদাসপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল আজিজকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং একই কমিটিতে সাবেক সংসদ সদস্য মোজাম্মেল হকের জৈষ্ঠ পুত্র ব্যারিস্টার আবু হেনা মোস্তফা কামাল রঞ্জুকে সদস্য করা হয়েছে।

রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে রহিম নেওয়াজকে আহ্বায়ক ও আসাদুজ্জামান আসাদকে সদস্য সচিব করে ১৬ সদস্য বিশিষ্ট নাটোর জেলা বিএনপির আংশিক কমিটির অনুমোদনের সংবাদ প্রকাশিত হয়।

গুরুদাসপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো: আব্দুল আজিজ ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাটোর-৪ আসনে গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রামে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ছিলেন। আজিজ আওয়ামী লীগের শাসনামলে একাধীকবার হামলা, রাজনৈতিক মামলায় এবং হয়রানীর শিকার। বিগত সরকার আমলে গুরুদাসপুর বড়াইগ্রামে কেন্দ্রীয় বিএনপির সকল কর্মসূচি সফলভাবে পালন করেন তিনি।

ব্যারিস্টার আবু হেনা মোস্তফা কামাল রঞ্জু বলেন, আগামী দিনের তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে নিজেকে সর্বক্ষণ বিএনপিকে সুসংগঠিত করতে কাজ করে যাব।

আব্দুল আজিজ বলেন, আমাকে নাটোর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনোনীত করায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। দীর্ঘ সময় ধরে এ জনপদে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে বাস্তবায়নে কাজ করে চলেছি। এ কারণে ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা আমাকে হত্যার উদ্দেশে আক্রমণ চালিয়ে রক্তাক্ত করেছে। আমি নাটোর জেলা বিএনপিকে পুনগঠন ও শক্তিশালী করতে কাজ করতে চাই।

কমিটির অন্যরা হলেন- যুগ্ম আহ্বায়ক পদে আব্দুল আজিজ, জিল্লুর রহমান চৌধুরি বাবুল, মিজানুর রহমান ডিউক, মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, সাইফুল ইসলাম আফতাব, দাউদার মাহমুদ রয়েছেন।
সদস্য হিসেবে রয়েছেন শহিদুল ইসলাম রাজু, সাবিনা ইয়াসমিন ছবি, আবুল কাসেম, তারিকুল টিটু, ব্যারিস্টার আবু হেনা মোস্তফা, সুফিয়া হক ও রঞ্জিত কুমার সরকার।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৫ জুলাই ৪৩ সদস্য বিশিষ্ট নাটোর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় বিএনপি। ওই কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছিল মৃত আমিনুল হককে ও সদস্য সচিব করা হয়েছিল রহিম নেওয়াজকে। আহ্বায়কের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় আমিনুল হকের মৃত্যুতে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়কের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল শহিদুল ইসলামকে বাকুকে।