বাংলাদেশে বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি ও বিনিয়োগকে উৎসাহিত করতে সরকার বৈদেশিক বিনিয়োগ ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ চূড়ান্ত করছে।
গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়নমন্ত্রী আহমেদ হুসেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সাথে সাক্ষাৎ করতে এলে এ ব্যাপারে আলোচনা হয়। এতে বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে অংশীদারিত্ব জোরদার এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সক্ষমতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন, কারিগরি সহায়তা, কৃষি ও দুই দেশের মানুষের মধ্যে সম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে গিয়ে বাংলাদেশ গুরুতর চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত এসব মানুষের মিয়ানমারে ফিরে যাওয়া উচিত।
আহমেদ হুসেন মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ক্ষেত্রে ইস্যুটি নিয়ে বাংলাদেশকে সমর্থন দেয়ার জন্য কানাডাকে ধন্যবাদ জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। চলতি বছরের মাঝামাঝি বাংলাদেশের উদ্যোগে রোহিঙ্গাবিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনে কানাডার সহযোগিতার চান উপদেষ্টা।
কানাডার মন্ত্রী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত এবং সংস্কার উদ্যোগের প্রশংসা করেন। উভয় পক্ষ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদার এবং অভিন্ন অগ্রাধিকার ইস্যুগুলোকে একসাথে কাজ করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছে।
বৈদেশিক বিনিয়োগ ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ চূড়ান্ত হচ্ছে
বাংলাদেশে বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি ও বিনিয়োগকে উৎসাহিত করতে সরকার বৈদেশিক বিনিয়োগ ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ চূড়ান্ত করছে।গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়নমন্ত্রী আহমেদ হুসেন পররাষ্ট্র...





