সীতাকুণ্ডে সম্প্রতি দুই ত্রিপুরা কিশোরীকে ধর্ষণ শেষে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সকাল ১১টায় উপজেলার ছোটদারোগাহাট গুলগুলা বাজার এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহতের নাম মোঃ রাজিব। তিনি পৌরসভার চৌধুরী পাড়ার মোঃ হামিদের পুত্র বলে জানা গেছে। রাজিব ওই হত্যা মামলার দুই নম্বর আসামি ছিলেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ মে পৌরসদরের জঙ্গল মহাদেবপুর ত্রিপুরা পাড়ার বাসিন্দা সুমন ত্রিপুরার ঘরে একই রশিতে সুমনের কন্যা ছবি রানী ত্রিপুরা (১১) ও পার্শ্ববর্তী ঘরের ফলিন ত্রিপুরার মেয়ে সুকুলতি ত্রিপুরাকে (১৫) ধর্ষণ শেষে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহত সুকুলতি ত্রিপুরার পিতা ফলিন ত্রিপুরা বাদি হয়ে স্থানীয় বখাটে আবুল হোসেন ও মোঃ রাজিবসহ (৩৪) বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে সীতাকু- মডেল থানায় মামলা করেন। রাজিব এ হত্যা মামলার দুই নম্বর আসামী ছিল। ঘটনাস্থলে থাকা এসআই ইকবাল হোসেন জানান, আমি টহল ডিউটিতে থাকা অবস্থায় সকাল ১০টার সময় স্কুল ছাত্ররদের কাছ থেকে ছোট দারোগার হাট গুলগুলা বাজার এলাকায় গ্রাম্য সড়কের পাশে একটি লাশ পড়ে আছে এমনটা তথ্য পেয়ে ছাত্রদেরকে নিয়ে ঘটনাস্থলে আসি এবং লাশটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠাই।

তিনি আরো জানান, নিহতের পিটে একটি গুলির চিহ্ন রয়েছে এবং মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানেও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাছাড়া লাশের পাশে একটি থলিতে প্রায় দুই হাজার ইয়াবার ট্যাবলেটও পাওয়া যায়।

এদিকে সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি ইফতেখার হাসান জানান, নিহতের নাম মোঃ রাজিব। সে একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। এছাড়াও সে সম্প্রতি খুন হওয়া ত্রিপুরা পল্লির দুই কিশোরী হত্যা মামলার দুই নন্বর আসামি। গুলিবিদ্ধ হয়ে রাজিব নিহতের ঘটনায় তিনি বলেন, তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কোনো ঘটনায় রাজিব মারা যেতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি।