বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ১৯৭৪ সালের রক্ষীবাহিনীর কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, সরকারের প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা নেই। যদি জনপ্রিয়তা থাকত। তাহলে এ ধরনের ফ্যাসিবাদী আচরণ করত না। এ অবস্থা চিরদিন চলতে পারে না। এর অবসান হবে। এ সরকার জনসমর্থনহীন, ভোটারবিহীন ও ভোট ছাড়া ক্ষমতায় আসে। এ সরকার জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত জোয়ারে টিকে থাকতে পারে না, আগামী নির্বাচনে তা-ই প্রমাণ হবে। আমি যতবার নিজ বাড়িতে আসি। আসার দুই-তিন দিন আগে রাতে পুলিশের বিশাল বহর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বাড়িতে গিয়ে ভয়ভীতি দেখায় গ্রেফতার করে যাতে দলীয় কাজে অংশ নিতে না পারে। এবারও আমি আসার দুই দিন আগে পুলিশ বহর যুবদলের সেক্রেটারি আবদুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেফতার করে এবং ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের বাড়িতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রাখে। পরে তিনি আরো বলেন, একদিন না একদিন ক্ষমতা ছেড়ে যেতে হবে। তবে সম্মানের সাথে যাওয়াই ভালো।
কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট নিয়ে নোয়াখালী-৫ আসন। এ আসনে আমি পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছি। আজকের দুর্ভাগ্য দেশে এমন একটি ফ্যাসিবাদী সরকার বিরাজ করছে যারা দেশের গণতন্ত্রকে বিলীন করছে। গত চার বছরে আমাকে আমার নির্বাচনী এলাকায় একটি সভা-সমাবেশ করতে দেয়নি। সরকার নিজস্ব রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ফ্যাসিবাদী শাসন অব্যাহত রাখার জন্য পুলিশকে ব্যবহার করছে।
তিনি গতকাল রোববার নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জ মানিকপুরের তার নিজ বাসভবনের সামনে মাদরাসা মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ কথা বলেন।
সিনিয়র এ নেতা আরো বলেন, দেশে এমন স্বৈরাচারী সরকার আমাকে ইফতার মাহফিলও করতে দিচ্ছে না। সেখানে আমি রোজা রেখে আল্লাহর কাছে শোকরিয়া কামনা করব। তাও করতে দেয় না। রামপুরে একটি ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়, বৃষ্টির কারণে উপরে সামিয়ানা দেয়া হয়। পুলিশ গিয়ে তা নামিয়ে ফেলে। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ও বসুরহাট পৌরসভায় ইফতার মাহফিল হওয়ার কথা এখন পর্যন্ত অনুমতি দেয়নি। কবিরহাট উপজেলায়ও একই অবস্থা।