কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় ১জন নিহত ও ১৮ আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার মরুরা নামক স্থানে এ সড়ক দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত হয়েছেন পাশ্ববর্তী হোসেনপুর উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের আবদুল ছাত্তারের স্ত্রী জরিনা (৪৫)।  নিহত ও আহতরা সকলেই পিকআপের যাত্রী ছিলেন বলে জানা যায়। 

আর আহতরা হলেন, হোসেনপুর উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের আ. সাত্তার (৫৫), জুলহাস (৩০), আলমগীর (৩৫), পিংকি (২৮), রিয়াত (৭), খাজিদা (২২), মরিয়ম (২২), শিখা (২৫), শাপলা (২৬), সীমা (৩২) ও জাহাঙ্গীরপুর গ্রামের রিপা (২৫), জাহাঙ্গীর (৩০), মনিরা (২২) এবং ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার কাইয়ূম (৩০), সিয়াম (৩), ফারুক (৩০) ও গাজীপুর জেলার রাজেন্দ্রপুরের খোকন (৩০)।

জানা যায়, সকাল ১০টার দিকে কিশোরগঞ্জ-পাকুন্দিয়া-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়কে উপজেলার মরুরা ইক্ষু সেন্টার নামক স্থানে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কিশোরগঞ্জগামী যাত্রীবাহী অন্যন্যা পরিবহনের (ঢাকা-মেট্টো-ব-১৪-৪৫৬৫) বাসের সাথে বিপরীত দিক থেকে আসা ঢাকাগামী যাত্রীবাহী পিকআপের (ঢাকা-মেট্টো-ন-১৭-৬৯৫১) সংর্ঘষ হয়। এ সময় পিকআপে থাকা বেশিরভাগ যাত্রী গুরুতর আহত হয়।
স্থানীয়রা আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করান। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জরিনা মারা যান। এ ঘটনায় কমপক্ষে ১৮জন আহত হয়েছেন।
ঘটনার পরপরই বিক্ষোব্ধ জনতা অন্যন্যা পরিবহনের বাসটিতে ভাংচুর করেন। এসময় সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অন্যন্যা বাস ও পিকআপ থানায় নিয়ে আসেন এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. সাদাত সারেক রহমান বলেন, দুর্ঘটনায় ১জন নিহত হয়েছেন এবং ১৮জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত ১২জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে পাকুন্দিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আজহারুল ইসলাম ইসলাম সরকার বলেন, অন্যন্যা বাস ও পিকআপ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। বর্তমানে উক্ত এলাকার পরিস্থিতি ও যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।