এক কোটি ২৪ লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসাপাতালে দুই ঘন্টা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে রেখেছিলো বিদ্যুৎ বিভাগ। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন হাসাপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনেরা। শনিবার সকাল ১০টা ২০ মিনিটে এই বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। পরে বেলা ১২টার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আবেদনের ভিক্তিতে পুনরায় এই বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়।
টাঙ্গাইল জেলা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) এর নির্বাহী প্রকৌশলী (১) ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহাদত আলী জানান, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের কাছে বিদ্যুৎ বিভাগের এক কোটি ২৪ লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে। গত তিন বছরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোন বিদ্যুৎ বিল প্রদান করেনি। এই বিষয়ে জেলা বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে চার বার চিঠি দেয়া হয়েছে। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোন সাড়া পাওয়া যায়নি। তাই আজ তাদের হাসপাতালের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। সংযোগ বিচ্ছিন্ন করায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের একটি প্রতিনিধি দল এসে তিন দিনের মধ্যে বকেয়া বিদ্যুৎ বিল প্রদান করবে মর্মে লিখিত দিয়েছেন। যেহেতু এটি একটি সেবা প্রতিষ্ঠান, তাই বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে পুনরায় হাসপাতালে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়।
হাসপাতালে রোগী দেখতে এসে টাঙ্গাইল হাউজিং এলাকার বাসিন্দা মাহফুজুর রহমান খোকন বলেন, হাসপাতালে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় রোগীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। রোগী দেখতে এসে তীব্র গরমে আমরাও হাসপাতালের ভিতরে থাকতে পারিনি। বাধ্য হয়ে বাইরে বেরিয়ে আসি। কিন্তু রোগীরাতো বাইরে বের হতে পারেননি। তাহলে বুঝেন তাদের কী এই অবস্থা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরো দায়িত্বশীল হওয়া উচিত বলে তিনি জানান।
এই ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক ড. শরিফুল ইসলাম মিয়ার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। আমি ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলে আসতেছি। হাসপাতালে পৌঁছার পর বিস্তারিত জানাতে পারবো।’
হাসপাতালের আরএমও ড. লোকমান আহমেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনিও ট্রেনিং এ আছেন বলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার জন্য বলেন।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসাপাতালে ২ ঘন্টা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন
এক কোটি ২৪ লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসাপাতালে দুই ঘন্টা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে রেখেছিলো বিদ্যুৎ বিভাগ। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন...





