স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী (এলজিআরডি) ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি এলে তাদের আমরা স্বাগত জানাবো, এতে দেশের জনগণের শক্ত অবস্থান থাকবে। আর যদি তারা (বিএনপি) নির্বাচনে না আসে তাহলে সরকারের কী করার আছে? বিএনপি নির্বাচনে না এলে কোন প্রভাব পড়বে না।
শুক্রবার সন্ধায় ফরিদপুরের বদরপুরে নিজ বাড়িতে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা বলেন। ফরিদপুর শহরতলীর ফরিদপুর সদর উপজেলার নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় অনুষ্ঠানে মন্ত্রীকে সংবর্ধনা জানানো হয়।
এসময় মন্ত্রী আরো বলেন. সরকার তো আর বিএনপিকে ডেকে ক্ষমতায় বসাতে পারে না। বিএনপিকে ‘নালিশি দল’ হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের জনগণ একটি দলের জন্য অস্থির নেই। দেশে ৫৪টি রাজনৈতিক দল রয়েছে, এর মধ্যে এক বা দুটি দল নির্বাচনে অংশ না নিলে নির্বাচনে ব্যাঘাত সৃষ্টি হবে না।’
ফরিদপুরকে নতুন বিভাগ ও সিটি করপোরেশন হিসেবে উন্নীত করার প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে বলে জানান এলজিআরডি মন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে, এখন শুধু ঘোষণা বাকি। সেই ঘোষণা আগামী ডিসেম্বরের আগে-পরে হবে বলে জানান তিনি।
ফরিদপুরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রসঙ্গ তুলে ধরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, দেশের সব বিভাগের সঙ্গে ফরিদপুরেও ওয়াসার কার্যক্রম শুরু হবে শিগগির। ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট বিভাগকে দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, দেশের পিছিয়ে পড়া চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমানের পরির্বতন আনার জন্য বড়ধরনের উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। দ্রুতই এই কাজ শুরু হবে। চরের মানুষ আর অবহেলিত থাকবে না।
ফরিদপুর কোতয়ালী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক মোল্যার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মৃধা, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর, পৌর মেয়র শেখ মাহতাব আলী মেথু, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবল চন্দ্র সাহা প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় ফরিদপুর সদর উপজেলার সব ইউনিয়ন পরিষদ ও বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।





