যশোরের চৌগাছা-ঝিকরগাছা সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। চৌগাছা পৌর শহরের সনু ডাক্তারের মোড় হতে জাহাঙ্গীরপুর বাজার পর্যন্ত সড়কটি দেখলে মনে হয় না যে এটি সড়ক। সড়কের মাঝে রয়েছে বড় বড় গর্ত। অল্প বৃষ্টিতেই গর্তগুলিতে কোমর পানি জমে যায়।
উপজেলার এ সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হওয়ায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছে সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত চলাচলকারী স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শতশত শিক্ষার্থী, রোগী ও জনসাধারণ। বর্তমান সরকারের বিগত প্রায় ৯ বছরে সড়কটির সংস্কার কাজ না হওয়ায় এর পিচ-পাথর ও ইটের খোয়া উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটির সংস্কার কাজ না হওয়ায় এটি যান চলাচলের অনুপযুক্ত হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে পায়ে হেটে চলাচল করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সাধারণ জনগণের।
এ সড়কটি চৌগাছা-ঝিকরগাছা এ দুটি উপজেলার হাজার-হাজার মানুষের চলাচলের একমাত্র সড়ক। তাই এখানে যানবাহনের চাপ বেশি। ভারি যানবাহন বেশি চলার কারণে ছোট গর্তগুলো বড় হয়ে গেছে। আর একারণে এখান দিয়ে চলাচলকারী যানবাহনগুলো যান্ত্রিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অপরদিকে হরহামেশাই ঘটছে দুর্ঘটনা। সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় ব্যবসায়ীরা চৌগাছাতে গরু-ছাগল, কাঁচামালসহ অন্যান্য পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করতে আসতে অনীহা প্রকাশ করছেন।
ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এলাকার কৃষক, ব্যবসায়ী ও পেশাজীবী মানুষ। এমন বেহাল দশা যে, যানবাহনে উঠলে জীবন নিয়ে যাত্রীরা আতঙ্কিত থাকে।
সড়কটির দুইপাশে গড়ে উঠেছে ছোট-বড় বেশ কয়টি বাজার, মিল-চাতাল, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসা কেন্দ্র।
আলমসাধূ চালক আব্দুল হাকিম জানান, রাস্তায় আসলে মনে হয় আর বুঝি বাড়ি ফেরা হবে না। গর্তে পড়ে চেইন ছেড়া, রিন ভাঙ্গা, গুরুত্বপুর্ণ যন্ত্রাংশ নষ্টসহ নানা সমস্যা দেখা দেয়।
অন্যদিকে পিকআপ ড্রাইভার আমিনুর রহমান জানান, সড়কটির বেহালদশা হওয়ায় লোড গাড়ী নিয়ে যাওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাড়ায়। হরহামেশাই গর্তে পড়ে গাড়ীর বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়।
এ ব্যাপারে চৌগাছা বাস-মিনিবাস সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান জানান, মা শিশু ও মুমূর্ষু রোগীর কথা চিন্তা করে সড়কটি পুনঃসংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী রাশেদুল হাসান বলেন, এলজিডির আরআইএমটি প্রকল্পের আওয়তায় অতিদ্রুত এই সড়কটির সংস্কার করা হবে।





