শেরপুরের শ্রীবরদীতে শুক্রবার দুপুরে ৬ বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগে মমিন মিয়া (৬০) নামে এক বৃদ্ধকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত বৃদ্ধ পৌরসভার সাতানী মথূরাদী মহল্লার মৃত আজিজল হকের ছেলে। এনিয়ে শ্রীবরদী থানায় একটি ধর্ষণ মামলার প্রস্তুতি চলছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর ১২ টার দিকে সাতানী মথুরাদী মহল্লায় ওই শিশু নিজ বাড়ির পাশে খেলতেছিল। এসময় বৃদ্ধ মমিন মিয়া শিশুটিকে খাবার কিনে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে পাশ্ববর্তী কলাকান্দা মহল্লার মৃত ইন্তাজ আলীর ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে যায় এবং কৌশলে ধর্ষণ করে। পরে শিশুটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন শিশুসহ মমিন মিয়াকে দেখে ফেলে। এরপর ধর্ষক মমিন মিয়া কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও আলোড়নের সৃষ্টি হয়। পরে উত্তেজিত এলাকাবাসী মমিন মিয়াকে আটক করে শ্রীবরদী থানায় হস্তান্তর করে।
এনিয়ে ধর্ষিত শিশুটির মায়ের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি আমার মেয়েকে বাড়িতে রেখে অন্যের বাড়িতে কাজ করতে গিয়েছিলাম। সুযোগ বুঝে মমিন মিয়া আমার শিশু কন্যাকে ফুসলিয়ে ইন্তাজ আলীর বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেছে।
শ্রীবরদী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মমিন মিয়া ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। এনিয়ে থানায় একটি ধর্ষণ মামলার প্রস্তুতি চলছে।
আরো দেখুন : সরিষাবাড়ীতে স্ত্রীর সাথে ঝগড়ায় প্রাণ গেল যুবকের
জামালপুরে সরিষাবাড়ীতে আজ বৃহস্পতিবার ভোরে স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় থানা পুলিশ নিহতের স্ত্রী মৌটুসী বেগম (২০) ও শাশুড়ি হাসি বেগমকে আটক করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সরিষাবাড়ী উপজেলার পৌর এলাকায় আরামনগর বাজার জি এম সি কলোনির সুরুজ মিয়ার বাসায় ভাড়াটিয়া হিসাবে গত দুই বছর যাবৎ স্বামী রকিবুল তরফদার রাব্বী (৩০) স্ত্রী মৌটুসীকে নিয়ে বসবাস করছিলেন। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া-হাতাহাতির এক পর্যায়ে রাব্বি মারাত্মক আহত হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে জরুরিভাবে হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
এ সময় নিহতের স্ত্রী মৌটুসী ও তার মা হাসি বেগম হাসপাতালে লাশ রেখে পালানোর সময় জনতার হাতে ধরা পড়ে।
সংবাদ পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে মৌটুসী বেগম ও শাশুড়ি হাসি বেগমকে আটক করে এবং নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত রকিবুল তরফদার গত দুই বছর আগে পরিবারের ইচ্ছার বিরুদ্ধে স্ত্রী মৌটুসীকে বিয়ে করে ভাড়াটিয়া বাসায় বসবাস করত। স্ত্রী মৌটুসী জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের বিএ প্রথম বর্ষের ছাত্রী। তিনি পরকিয়ায় আসক্ত বলে স্বামীর পরিবারের লোকজনদের ধারণা। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মাঝে-মধ্যেই ঝগড়া হতো বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আরিফুল ইসলাম জানান, সরিষাবাড়ী হাসপাতাল থেকে রকিবুল ইসলামের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং নিহতের চোখে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে। স্ত্রী মৌটুসী বেগম ও শাশুড়ি হাসি বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের থানায় নেয়া হয়েছে।





