রাজবাড়ীর কালুখালিতে পুলিশের সাথে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ চরমপন্থী সজল বাহিনীর সেকেন্ড-ইন-কমান্ড আব্দুল মতিন নিহত হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ১টি ওয়ান সুটারগান ২টি রামদা উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়।

শনিবার দিবাগত রাত আড়াইটায় কালুখালি উপজেলার বিকয়া আলম পাড়ায় এ ঘটনা ঘটেছে।

নিহত মতিন কালুখালি উপজেলার বিকয়া গ্রামের বিস্কুট মন্ডলের ছেলে।

কালুখালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালুখালি থানায় সাওরাইল ইউপির গড়াই নদীর পারে বিকয়া গ্রামে একদল সস্ত্রাসী ডাকাতির উদ্দেশ্যে গোপন বৈঠক করছে। এমন সংবাদে পুলিশ সেখানে উপস্থিত হলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সস্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে এক পর্যায়ে সস্ত্রাসীরা আহত একজনকে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আহত আব্দুল মতিনকে উদ্ধার করে পাংশা হাসপাতালে নিয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক মতিনকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি আরো জানান, নিহত আব্দুল মতিন কালুখালি রাজবাড়ীর শীর্ষ সস্ত্রাসীদের অন্যতম। তিনি রাজবাড়ী সদর ও পাংশা থানা এলাকায় সজল বাহিনীর সক্রিয় সদস্যদের নিয়ে রাতে ও দিনে চরাঞ্চলের সাধারণ নিরীহ মানুষদের ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা তুলে বিষিয়ে তুলেছিল।

তার বিরুদ্বে থানায় হত্যা, ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও অপহরণের ৭টি মামলা রয়েছে।