চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ব্যবসায়ী নেতা ও হাসপাতাল কর্মচারীর মধ্যে তর্কাতর্কি ও হাতাহাতির জের ধরে হাসপাতালের আসবাবপত্র ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের ১৫ জন আহত হন। গতকাল শুক্রবার দুপুরে উপজেলার কেরানীহাট আশশেফা হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, গতকাল দুপুরে কেরানীহাট নিউ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো: আলীর সাথে টাকা ফেরত দেয়া নেয়ার বিষয়ে আশশেফা হাসপাতালের কর্মচারী নুর হোসেন বাদশাহর তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নিলে মো: আলী আহত হন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে তার আত্মীয়-স্বজন ও কিছু যুবক কিরিচ ও লাটিসোটা নিয়ে এসে হাসপাতালে হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র ও সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করে। এ সময় হাসপাতালের রোগীরা আত্মরক্ষার্থে ছোটাছুটি করতে থাকে। খবর পেয়ে সাতকানিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় হাসপাতালের কর্মচারী নুর হোসেন বাদশাহ, সাব্বির, মর্জিনা, দেলোয়ার হোসেন ডালিম, স্বপ্না দাশ, জয়নাল, অসীম বড়–য়া, রতœা দাশ, ছবি ধর, ঝুনু বড়–য়া, জয়নাব বেগম, খুশি দাশ, রুমা আকতার ও ব্যবসায়ী নেতার ভাগিনা আরিফুল ইসলামসহ ১৫ জন আহত হয়।
এ ব্যাপারে মো: আলী বলেন, শুক্রবার দুপুরে আমার ছোট ছেলেকে ডাক্তার দেখাতে আমি আশশেফা হাসপাতালে যাই। টিকিট কাউন্টার থেকে ৬০০ টাকা দিয়ে ডাক্তারের একটি টিকিট কেটে এক হাজার টাকার একটি নোট দিই। বাকি ৪০০ টাকা ফেরত চাইলে রোগীকে ডাক্তার দেখিয়ে যাওয়ার সময় নিতে বলে। আমার ছেলেকে ডাক্তার দেখিয়ে যাওয়ার সময় আমি বাকি টাকা ফেরত চাইলে সে টাকা ফেরত না দিয়ে টালবাহানা শুরু করে। আমি এর প্রতিবাদ করলে হাসপাতালের ওই কর্মচারি টিকিট কাউন্টার থেকে উঠে এসে আমার উপর হামলা চালায়।
হাসপাতালের পরিচালক মো: মোরশেদুল আলম জানান, বিষয়টি জানার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ব্যবসায়ী নেতার কাছে ক্ষমা চেয়ে বিষয়টি সুরাহা করার চেষ্টা চালায়। কিন্তু বাইর থেকে কিছু যুবক কিরিচ ও লাটিসোটা নিয়ে এসে হাসপাতালে হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র ও সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর এবং হাসপাতালের কর্মচারীদের মারধর করে।
সাতকানিয়া থানার উপপরিদর্শক ওমর ফারুক জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।





