নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেছেন, কোনো প্রতিষ্ঠানের কবর রচনা করে এ দেশের মানুষ ভালো থাকতে পারে না। উপজেলা নির্বাচেন কারো কোনো বেআইনি চাপে আপনারা মাথা নত করবেন না। আপনাদের নিরাপত্তা আমি দেবো। যত দিন তা প্রয়োজন। নির্বাচনে কোনো খারাপ অভিজ্ঞতা থাকলে তা ভুলে যান।
তিনি গতকাল শনিবার বিকেল ৫টার দিকে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা সদরে ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজের হলরুমে আসন্ন পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে এসব কথা বলেন।
তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি এসেছি নিজের অন্তর্জ¦ালা থেকে, নিজের কষ্ট থেকে। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে আমাকে অনেক কথার মুখোমুখি হতে হয়। আমাদের অনেক বক্তব্যের মুখোমুখি হতে হয়। আমাকে বলা হয়Ñ চমৎকার নির্বাচন করেছেন এ জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাদেরকে ধন্যবাদ। দেশটাকে আপনারা বাঁচিয়েছেন। আবার বলা হয়, চমৎকার নির্বাচন করেছেন, আর কী করবেন? কেমন যেন একটা প্রশ্ন। আরেক দল বলে, আপনারাতো নির্বাচনের কবর দিয়েছেন। আমি জানি না কোনটা সত্য। কারণ, আমি সারাদিন বসেছিলাম টেলিভিশনের পর্দার সামনে, একটা কোনো বিক্ষিপ্ত ঘটনার কথাও টেলিভিশনে কোনো দিন বলা হয়নি। টেলিভিশন থেকে কোনো কিছু জানতে পারিনি। আবার যারা পর্যবেক্ষক ছিলেন তারাও একটা শব্দও উচ্চারণ করেননি এবং পরবর্তীতে যখন লিখিত প্রতিবেদন দিয়েছেন তখনো কিন্তু এমন কোনো কিছু বলেননি, যা দেখে আমি অনুমান করব আমরা নির্বাচনী ব্যবস্থার কবর দিয়েছি। আমি কোনো অবস্থাতেই আপনাদের কাছ থেকে কোনো রকম কোনো কিছু পাইনি।
ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুন নাহারের সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণ শিবিরে বক্তৃতা করেন, রংপুর বিভাগের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জি এম শাহাদৎ হোসেন, নীলফামারী জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন, পুলিশ সুপার আশরাফ হোসেন প্রমুখ।