টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে (১৬) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ধর্ষণকারী ও ধর্ষণে সহায়তাকারীকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনতা।

মঙ্গলবার অভিযুক্ত দুই আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। ধর্ষিতা তরুণীর জবানবন্দি এবং ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য জেলা সদরে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওই তরুণীর সাথে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আসামি মোবারকের পরিচয় হয়ে বেশ কিছু দিন যাবৎ মন দেয়া নেয়া চলছিল। গত বোরবার উপজেলার ভারড়া বাজারে অনুষ্ঠিত বৈশাখী মেলায় বেড়াতে এলে ওই তরুণীকে কৌশলে মোবারক তার বন্ধু কালুর বাড়ি চৌবাড়িয়াতে বেড়াতে নিয়ে যায়। এসময় কালু মোবারক ও ওই তরুণীকে তার দোচালা ঘরের ভিতর রেখে বাইরে থেকে শিকল দিয়ে চলে যায়।

পরে রাতে মোবারক তরুণীকে ফুসলিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষন করে। পর দিন সোমবার (১৫ এপ্রিল) সকালে কালুর বাড়ি থেকে বেড়িয়ে তরুণীকে বিয়ে করবে বলে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে ঘোরাফেরা করতে থাকে। একপর্যায়ে তরুণীকে উপজেলার শেখ শামসুল হক সেতুর উপর রেখে মোবারক ও কালু পালিয়ে যায়।
এসময় ধর্ষণের শিকার তরুণী বিষয়টি মোবাইলে তার বড় বোনকে জানালে তারা সেতু এলাকা থেকে তরুণীকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

পরে কালুর বাড়িতে গিয়ে ভিকটিমের বাবা জানালে এলাকাবাসীর সহায়তায় মোবারক ও কালুকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

এ ব্যাপারে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলম চাঁদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ওই তরুণীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মূলত বিয়ের প্রলোভনে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করা হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি জানান।

ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে ৫২ বছরের দবির 
গফরগাঁও(ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার রাওনা বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেনীর জনৈকা ছাত্রী (১৩)ধর্ষণের শিকার হয়েছে। সোমবার বিকালে এ ঘটনায় অভিযুক্ত দবির উদ্দিন (৫২) নামে ব্যক্তিকে আটক করেছে গফরগাঁও থানা পুলিশ।

মাদ্রাসার ছাত্রী জানায়, মাদ্রাসায় যাতায়তের পথে প্রায়ই উত্যক্ত করতো একই গ্রামের দবির উদ্দিন। গত সপ্তাহে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে ওই ছাত্রীকে ছুরি দেখিয়ে জিম্মি করে গফরগাঁও-শিবগঞ্জ সড়কের ধোপাঘাট গ্রামের নির্জন এলাকায় একটি বন্ধ মার্কেটের এক কক্ষে নিয়ে গলা কেটে খুন করার ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে দবির উদ্দিন।

সোমবার সকালে দবির উদ্দিন ওই মাদ্রাসার ছাত্রীকে ছুরি দিয়ে ভয় দেখিয়ে বন্ধ মার্কেটের কক্ষে ঢুকিয়ে পূনরায় ধর্ষণের চেষ্টাকালে মাদ্রাসা ছাত্রীর চিৎকারে পথচারীরা এগিয়ে আসে। এসময় ধর্ষক দবির উদ্দিন দৌড়ে পালিয়ে যায়।পথচারীরা ছাত্রীকে উদ্ধার করে মাদ্রাসায় নিয়ে যায়। ঘটনা শোনা মাত্র মাদ্রাসায় উপস্থিত অন্যান্য ছাত্রীরা ধর্ষকের বিচার ও শাস্তির দাবীতে ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ মিছিল বের করে।গফরগাঁও থানা পুলিশ বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে অভিযুক্ত দবির উদ্দিনকে ধোপাঘাট গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ আখতারুজ্জামান,এ ঘটনায় ধর্ষক দবির উদ্দিনের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবী করেন। গফরগাঁও থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে ।তদন্ত চলছে ।