বরগুনার তালতলীতে বাল্যবিয়ের শিকার হয়ে সন্তান প্রসব করতে গিয়ে মৃত্যুর পরিণতি ভোগ করতে হলো দাখিল পরীক্ষার্থী লামিয়াকে। সোমবার রাতে হাসপাতালে মারা যায় সে। সেই সাথে শেষ হয়ে যায় তার উচ্চ শিক্ষার স্বপ্ন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সোবাহান পাড়া দাখিল মাদরাসার দাখিল পরীক্ষার্থী ওই গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে লামিয়াকে ২০১৭ সালে জেডিসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে অভিভাবকরা মঠবাড়ীয়া উপজেলা মিরুখালী ইউনিয়নের বাদুরা গ্রামের ইউসুফ গাজীর ছেলে মিজানুর রহমানের সাথে বিয়ে দেন। এর পরেও উচ্চ শিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছিল লামিয়া। কিন্তু সে স্বপ্ন পূরণ হয়নি তার।
ইতোমধ্যেই গর্ভবতী হয়ে পড়ে লামিয়া। সন্তানসম্ভবা লামিয়াকে রোববার বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ডেলিভারি করার জন্য ভর্তি করা হলে সোমবার রাতে তার অস্ত্রোপচার করা হয়। এতে লামিয়ার গর্ভে একটি ফুটফুটে কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। তবে তারপরই মারা যায় সে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ওই কন্যা সন্তানটি সুস্থ রয়েছে।





