গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের নির্ধারিত তারিখ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশ অনুযায়ী গত বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল। অথচ অদৃশ্য কারণে ডিসেম্বরে এ উপজেলায় আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন হয়নি। উপজেলার শীর্ষ নেতারা অবশ্য বলেছেনÑ জানুয়ারি মাসের মধ্যে এ উপজেলায় সম্মেলন করে নতুন কমিটি গঠন করা হবে। তবে সম্মেলনের নির্ধারিত তারিখ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে। উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মধ্যে ১০টি ইউনিয়নের সম্মেলন ইতোমধ্যেই শেষ করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। একটি ইউনিয়ন ও পৌরসভার সম্মেলন নেতৃবৃন্দের দ্বিধাদ্বন্দ্বে বন্ধ হয়ে গেছে। অপর দিকে আগামী সম্মেলনকে ঘিরে শীর্ষ পদে কারা আসছেন তা নিয়ে চলছে নানান গুঞ্জন। উপজেলা আওয়ামীলীগে সভাপতি ও সম্পাদক পদের জন্য ডজন খানেক প্রাথী যার যার পছন্দমত কেন্দ্রীয় নেতাদের দোয়া পেতে লবিং তদবির শুরু করেছেন। তবে উপজেলা আওয়ামী লীগের এক কমিটি দিয়ে ১৮ বছরের দ্বিধাদ্বন্দ্ব ভুলতে এবার শীর্ষ দুই পদে পরিবর্তন আসতে পারে বলে ধারণা করেছেন একই কমিটির নেতাকর্মীরা।
আগামী সম্মেলনকে সামনে রেখে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগের পক্ষ থেকে যুদ্ধাপরাধী ও অন্য দলের অনুপ্রবেশকারীদের নাম কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত না করার দাবি জানিয়ে পোস্টার ব্যানার টাঙ্গিয়ে দিয়েছে।
কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ ও কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছেÑ জানুয়ারি মাসের মধ্যে কোটালীপাড়া উপজেলায় সম্মেলন হবে। তবে কত তারিখে সম্মেলন হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। অনিশ্চিত এ উপজেলা সম্মেলনকে ঘিরে শীর্ষ দুই পদে ডজন খানেক নেতা লবিং তদবিরে ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন। এ উপজেলা সভাপতি পদে বর্তমান সভাপতি সুভাষ চন্দ্র জয়ধর, সিনিয়র সহ-সভাপতি ভবেন্দ্রনাথ বিশ্বাস, চারুচন্দ্র গাইন, যশোদা জীবন সাহা, কমল চন্দ্র সেন, দেবদুলাল বসু পল্টু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে বর্তমান সাধারণ সম্পাদক এসএম হুমায়ুন কবির, আওয়ামীলীগ সদস্য ও সমাজসেবক জাহাঙ্গীর হোসেন খান, সাংগঠনিক সম্পাদক আয়নাল হোসেন শেখ, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণবিষয়ক সম্পাদক আমিনুজ্জামান খান মিলনের নাম শোনা যাচ্ছে।