ফেনী শহরের তাকিয়া রোডে বুধবার সন্ধ্যায় যুবলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় একটি মাইক্রোবাস ভাঙচুর করা হয়। ঘটনার পরদিন পৌর যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক রেজাউল করিম নাদিমকে আটক করে পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্র জানায়, আধিপত্য বিরোধ নিয়ে জেরে পৌর যুবলীগের সহ-সভাপতি রাকিব আহমেদ তাহান ও যুগ্ম-সম্পাদক রেজাউল করিম নদিমের সাথে দীর্ঘ দিন ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। এ নিয়ে দু’টি গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। দু’জনই শহরের রামপুর এলাকার সওদাগর বাড়ির বাসিন্দা। বুধবার সন্ধ্যায় দু’টি গ্রুপ তাকিয়া রোডের নাদিয়া হোটেলে পৃথকভাবে অবস্থান নেয়। রাকিব সমর্থক হিসেবে পরিচিত ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইমরান মাছুমকে মারধর করলে তারাও চড়াও হলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়। একপর্যায়ে রাকিবের সমর্থকরা সৈয়দ বাড়ি রোডে অবস্থানরত নাদিমের মাইক্রোবাস ভাঙচুর করে। পেছন থেকে ধাওয়া করে মাছুমকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। বিষয়টি জানাজানি হলে পৌর যুবলীগের নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
নাদিম জানান, দীর্ঘ দিন রাজনীতিতে না থেকে মাছুম এলাকায় অবস্থান করায় কর্মীরা ক্ষুদ্ধ হয়ে তাকে মারধর করে। এর জেরে মাছুম বিএনপি নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় গাড়ি ভাঙচুর করে।
রাকিব তাহান জানান, ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ততা নেই। মারামারির খবর পেয়ে মীমাংসা করতে ঘটনাস্থলে ছুটে যাই।
পৌর যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন বাবলু জানান, দু’জনের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। উভয়কে নিয়ে বৈঠকে বসে মীমাংসা করা হবে।
ফেনী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নাদিমকে আটক করা হয়।
ফেনীতে যুবলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ এক নেতা আটক
ফেনী শহরের তাকিয়া রোডে বুধবার সন্ধ্যায় যুবলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় একটি মাইক্রোবাস ভাঙচুর করা হয়। ঘটনার পরদিন পৌর যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক রেজাউল...





