মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে মানসিক চাপেই স্বামীকে হত্যা করেছেন বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন বিউটি আক্তার। টঙ্গীতে গত বুধবার সকালে স্বামী সাইফুলকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন বিউটি। ওই দিনই পিবিআই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। গত বৃহস্পতিবার বিউটি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জাবানবন্দী দেন।
গাজীপুর পিবিআইবি পুলিশ জানায়, বুধবার এ হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে পিবিআই পুলিশ পরিদর্শক কাউসার উদ্দিন ওই দিনই টঙ্গীর দত্তপাড়া থেকে বিউটিকে গ্রেফতার করেন। এরপর বিউটি হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দী দিতে রাজি হলে তাকে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করা হয়। বিউটি আদালতে হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে জানান, সাইফুল তাকে প্রায়ই শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন এবং তাকে পরকীয়ার মিথ্যা অপবাদ দিতেন। এতে তিনি অতিষ্ঠ হয়ে মানসিক চাপে সাইফুলকে হত্যা করতে বাধ্য হন। এ দিকে আদালতে তাদের দুই সন্তানও বিউটি বেগমের বিরুদ্ধে তাদের বাবাকে হত্যার সাক্ষ্য দিয়েছে বলে জানান ইন্সপেক্টর কাউসার উদ্দিন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার সকালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তুমুল ঝগড়ার একপর্যায়ে বিউটি তার স্বামী সাইফুলকে গলায় ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেন। বিউটি কোকাকোলা কোম্পানিতে চাকরি করেন এবং সাইফুল ইসলাম ফেরি করে পান-সিগারেট বিক্রি করতেন। সাইফুল রংপুরের গঙ্গারচর থানার চাঁনবাগ গ্রামের সামসুল ইসলামের ছেলে। ময়নাতদন্ত শেষে সাইফুলের লাশ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে দাফন করা হয়েছে।
আদালতে জবানবন্দী
অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে স্বামীকে হত্যা করেছেন বিউটি
মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে মানসিক চাপেই স্বামীকে হত্যা করেছেন বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন বিউটি আক্তার। টঙ্গীতে গত বুধবার সকালে স্বামী সাইফুলকে ছুরিকাঘাতে হত্যা...





