বিশ্বশান্তির দূত, আখেরী নবী, বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা (সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর অবমাননা করে ফ্রান্স মুসলমানদের কলিজায় আগুন ধরিয়ে দিয়েছে বলেছেন বাংলাদেশ মসজিদ মিশনের সভাপতি ও তা’মীরুল মিল্লাত ট্রাস্টের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ যাইনুল আবেদীন। সোমবার তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা টঙ্গী ক্যাম্পাসে প্রতিবাদ সমাবেশ ও আলিম প্রথম বর্ষের সাধারণ বিভাগের ‘গ’ শাখার ছাত্রদের উদ্বুদ্ধকরণ ক্লাসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, রাসুলের অবমাননা মুসলিম উম্মা কোন অবস্থাতেই বরদাশত করবে না। ফ্রান্সের সরকার প্রধানসহ তাদের জনগণকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে, অন্যথায় তাদের পণ্যসহ তাদের সাথে সকল ধরণের সম্পর্ক বর্জন করতে হবে।
মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা মো. মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা নূরুল হকের সঞ্চালনায় এতে আরো বক্তব্য রাখেন, মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক মাওলানা মাহতাব উদ্দিন, মাওলানা সাঈদুল ইসলাম, প্রভাষক মাসুম বিল্লাহ প্রমুখ।
মাওলানা যাইনুল আবেদীন আরো বলেন, রাসুল (সা.) মানবজাতির সর্বশেষ আদর্শ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। কেউ রাসুলকে (সা.) মহব্বত না করলে সে ঈমানদার হবে না। যারা ইসলাম ও রাসুল (সা.) এর বিরুদ্ধাচারণ করেন তারা না বুঝে করেন। তিনি বলেন, ফ্রান্স মুসলমানদেরকে উস্কে দিয়ে জঙ্গী অপবাদ দেওয়ার সুযোগ খুঁজছে। ইসলামবিরোধী শক্তি জিহাদ ও জঙ্গিবাদকে পার্থক্য করে দেখে না। তাই খোদাদ্রোহী শক্তির উস্কানীতে প্রতিবাদের এমন কোন উগ্রপন্থা অবলম্বন করা যাবে না; যাতে তারা মুসলমানদেরকে জঙ্গী বলার সুযোগ পায়।
উল্লেখ্য, চলমান করোনাকালেও টঙ্গী তা‘মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসায় সর্বোচ্চ সংখ্যক ছাত্র ভর্তি হয়। এবার ভর্তিকৃত ১৫৭০ জনের মধ্যে সাধারণ বিভাগে ৯৯০ ও বিজ্ঞান বিভাগে ৫৮০ জন ভর্তি হয়েছে। এ বিশাল সংখ্যক ছাত্রকে করোনাকালীন সময়ে শিক্ষাকার্যক্রমের বিষয়ে অভিহিত করা, শিক্ষকমণ্ডলীর সাথে পরিচিত হওয়া এবং অনলাইন বা জুম ক্লাশে যুক্ত থাকার পদ্ধতি শিক্ষা দিতে ধারাবাহিকভাবে এ উদ্বুদ্ধকরণ ক্লাশের আয়োজন করা হয়। প্রথমে গত ৬ অক্টোবর তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা টঙ্গীর বালিকা শাখায় আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ওরিয়েন্টেশন ক্লাসের পর গত ১০, ১৪, ২৪ অক্টোবর ও সোমবার পঞ্চম ধাপে ছাত্রদের এ উদ্বুদ্ধকরণ ক্লাশ অনুষ্ঠিত হলো।





