নালিতাবাড়ী সাবরেজিস্ট্রির অফিসের নৈশপ্রহরী ও ঝাড়–দার মাত্র ৬০ টাকা মজুরিতে সাত বছর ধরে কাজ করে আসছেন।
খোজ নিয়ে জানা যায়, নালিতাবাড়ী বাজারের জনাব আলীর ছেলে শহিদুল ইসলাম ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে নৈশপ্রহরী হিসেবে ও হালিমা বেগম ২০১৯ সালে ঝাড়–দার হিসেবে নিয়োগ পায় নালিতাবাড়ী সাবরিজিস্ট্রি অফিসে। বিকেল ৫টা থেকে পরদিন সকাল ৯টা পর্যন্ত ১৬ ঘণ্টা নৈশপ্রহরীর ডিউটি ও সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ঝাড়–দার ৮ ঘণ্টা ডিউটি করে ৬০ টাকা হারে দৈনিক মজুরি পান তারা। তাও আবার নিয়মিত পান না।
জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৪ মে আইন ও বিচার বিভাগের বিচার শাখা-৬ দৈনিক শ্রমিক মজুরি বৃদ্ধি করে ৬০ টাকার স্থলে ৪৫০ টাকা নির্ধারণ করে। আবার ২০২০ সালের ১২ অক্টোবর ১০০ টাকা দৈনিক মজুরি বৃদ্ধি করে ৫৫০ টাকা করা হয়। দেশের অন্যান্য সরকারি অফিসের নৈশপ্রহরী ও ঝাড়–দাররা মজুরি পেলেও নালিতাবাড়ীর সাবরেজিস্ট্রি অফিসের নৈশপ্রহরী শহিদুল ইসলাম ও ঝাড়–দার হালিমা বেগম বর্ধিত মজুরি পান না। এখন পর্যন্ত ৬০ টাকা মজুরিতেই কর্মরত রয়েছেন। এ ছাড়াও নেই কোনো ঈদ বোনাস বা অন্য কোনো সুযোগ সুবিধা।