লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে বাবা-মায়ের হাত-পা বেঁধে তাদের সামনেই এক কিশোরী গৃহবধূকে (১৪) গণধর্ষণের পর পিটিয়ে আহত করা হয়েছে।

রোববার মধ্যরাতে উপজেলার চর আলগী ইউনিয়নের চর নেয়াতম গ্রামে গৃহবধূর বাবার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

পরে মুমূর্ষ অবস্থায় গৃহবধূকে উদ্ধার করে রামগতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে স্থানীয়রা। তার অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় সোমবার সকালে মিরাজ (২৬) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। তিনি একই গ্রামের নুর মোহাম্মদের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রামগতি উপজেলার চর আলগী ইউনিয়নের চর নেয়াতম গ্রামে গৃবধূর তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলো। প্রতিদিনের ন্যায় রাতের খাবার শেষে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। গভীর রাতে হঠাৎ একদল লোক ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে ওই গৃহবধূর বাবা-মাসহ পরিবারের সদস্যদের হাত-পাঁ বেঁধে ফেলে। পরে বাবা-মায়ের সামনেই রাতভর পালাক্রমে ওই কিশোরী গৃহবধূকে গণধর্ষণ করে তারা।

ধর্ষণ করেই ক্ষান্ত হয়নি সন্ত্রাসীরা। ধর্ষণ শেষে গৃহবধূকে পিটিয়ে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ ক্ষত-বিক্ষত করে দেয়। এক পর্যায়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় ঘরে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায় তারা। পরে তাদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা মুমূর্ষু অবস্থায় গৃহবধূকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় মিরাজ নামে এক যুবককে আটক করা হয়ছে। এ ঘটনায় ভিকটিমের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।