নারায়ণগঞ্জে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সাত সদস্যকে আটক করছে র্যাব-১১। এ সময় তাদের কাছ থেকে অস্ত্র, গুলি ও বিপুল পরিমাণ ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জ শিমরাইল এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে র্যাব-১১ আদমজী এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায়।
র্যাব-১১ -এর সিইও লে. কর্ণেল খন্দকার সাইফুল আলম জানান, গোপনসূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে র্যাবের বিশেষ অভিযানে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন শিমরাইল এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক হতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে বিদেশী পিস্তল, দেশীয় অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ ককটেল উদ্ধারসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সাতজন ডাকাতকে হাতে-নাতে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন মো: বাবুল হোসেন (৩২), মো: সেলিম (৩২), মো: রিপন ভূঁইয়া (২৬), মো: রবিউল ইসলাম (২৬), মো: আব্দুর রশিদ (৪৫), মো: রফিকুল ইসলাম (৪০), ও মো: জাবেদ হোসেন (২৯)।
অভিযানে গ্রেফতারকৃত আসামিদের হেফাজত হতে ম্যাগাজিন ভর্তি ১টি বিদেশী পিস্তল, ৩ রাউন্ড গুলি, ৩টি চাপাতি, ১টি হাতুড়ি ও ৪৪টি ককটেল উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিরা একটি আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য। এই সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্র বড় বড় স্বর্ণের দোকান টার্গেট করে অতর্কিতভাবে হামলা করে। তারা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এবং অস্ত্র প্রদর্শন করে জনমনে ভয়ভীতি ও আতঙ্ক সৃষ্টি করে স্বর্ণের দোকান লুট করে মুহূর্তের মধ্যে পালিয়ে যায়।
র্যাব আরো জানায়, দীর্ঘ দিন ধরে তারা দেশের বিভিন্ন এলাকায় তাদের অপরাপর সহযোগীদের নিয়ে স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি করে আসছে। স্বর্ণের দোকানে ডাকাতির জন্য তারা সন্ধ্যা থেকে দোকান বন্ধের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত সময়কে বেছে নেয়। গত কয়েক বছরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় স্বর্ণের দোকানে ঘটে যাওয়া এই রকম বেশ কয়েকটি চাঞ্চল্যকর ডাকাতির সাথে এই সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের সদস্যরা জড়িত ছিল মর্মে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়।





