ফরিদপুরের সালথাসহ বিভিন্ন উপজেলায় প্রচণ্ড গরমের পর রোববার সন্ধ্যায় হঠাৎ শুরু হয় ধুলিঝড়। সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে প্রথমে কালোমেঘে আকাশ ছেয়ে যায়। প্রচণ্ড বাতাসে এই ধুলিঝড় শুরু হয়। এর প্রায় ২০ মিনিট পর শুরু হয় তুমুল বৃষ্টি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত বছর ফাল্গুন মাস থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছিল ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকায়। কিন্তু এ বছর চৈত্রের শেষে দিকে হঠাৎ ধুলিঝড় ও বৃষ্টি হলো।

রোববারের এই ধুলিঝড়ে অনেকটা বেকায়দায় পড়েন বাইরে থাকা লোকজন। পরে ধুলিঝড় নিয়ে অনেকে ফেসবুকে স্ট্যাটাসও দেন।

পুরুরা মাদরাসার মুহতামিম (অধ্যক্ষ) মাওলানা জহুরুল হকের ছেলে মাওলানা নিছারুদ্দিন বলেন, হঠাৎ উত্তরের কালো মেঘে ঢেকে গেল আকাশ। এরপরই বাতাসের সাথে প্রচণ্ড ধুলার কারণে আমার শ্বাস বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল। এটাকে ধুলিঝড় বলে আমি জানতাম না। তবে আমি হতবাক। তিনি আরো বলেন, এর আগে আমি কখনো ধুলিঝড় দেখিনি।

দীর্ঘ দিন পর বৃষ্টি হওয়ায় তিনি কিছুটা খুশি। মাওলানা নিছারুদ্দিন বলেন, অনেক দিন পর বৃষ্টি হলো। হয়তো রোগ-বালাই কিছুটা কমতে পারে।

ধুলিঝড় ও বৃষ্টিতে এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মাদ হাসিব সরকার বলেন, কালবৈশাখী ঝড়ে সালথার কোথাও কোনো ক্ষয়ক্ষতির খোঁজ পেলে জানাবেন।