রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় পারিবারিক কলহের কারণে স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার সকাল ৯টার দিকে এ হত্যার ঘটনা ঘটে।
পুলিশ দুপুর আড়াইটার দিকে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। এ দিকে ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বামী রাজু মিয়া পালিয়ে গেছেন।
পীরগাছা থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সদর ইউনিয়নের সুখান পুকুর গ্রামে আব্দুল বাতেন মিয়ার মেঝ মেয়ে আছমার (৩০) সাথে তাম্বুলপুর ইউনিয়নের পশ্চিমদেরু (আম ডারা) গ্রামের সুলতান মিয়ার ছেলে রাজু মিয়ার ১৫ বছর আগে বিয়ে হয়। তাদের দাম্পত্য জীবনে দু’টি ছেলে সন্তান জন্ম নেয়। বড় ছেলে আফিব (১২) ও ছোট ছেলে আপন (৮)। আফিব স্থানীয় পীরগাছা জে এন মডেল সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
রাজু মিয়া পেশায় রাজ মিস্ত্রি। তিনি স্যালকের স্ত্রী শিরিনকে গোপনে বিয়ে করে পাশের সুন্দরগঞ্জ উপজেলার একটি ভাড়া বাড়িতে রাখেন। শিরিনের গ্রামের বাড়ি তাম্বুলপুর ঘগোয়ায়। তার বাবার নাম মো: সাইদুর রহমান। শিরিনরে আট বছরের একটি মেয়ে সন্তান আছে।
তিন মাস আগে গোপনে তাদের এ বিয়ে হয়। বিষয়টি প্রকাশিত হলে স্বামী ও স্ত্রী আছমার মধ্যে পারিবারিক কলহ সৃষ্টি হয়। এরই মধ্যে আছমা বাবার বাড়িতে চলে যান। বিষয়টি মীমাংসা করা হবে এই শর্তে রাজু মিয়ার মা তিন দিন আগে আছমা বেগমকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। কিন্তু শনিবার সকালে আছমা বেগমের লাশ বিছানায় দেখতে পায় প্রতিবেশীরা।
এলাকাবাসীর ধারণা, আছমা বেগমকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ছাড়া আছমা বেগমের গলায় একটি দাগ দেখা যাচ্ছে।
পীরগাছা থানা এসআই আকতার মাহমুদ বলেন, অভিযুক্ত স্বামীকে আটকের চেষ্টা চলছে। লাশের ময়নাতদন্ত করার পর মৃত্যুর কারণ বলা যাবে।





