পাবনার বেড়া উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (টিও) আব্দুস ছালামের বিরুদ্ধে উন্নয়ন প্রকল্পের ৩০ ভাগ ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে। কয়েকজন প্রধান শিক্ষক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে মৌখিকভাবে এ অভিযোগ করেছেন। অন্য দিকে শিক্ষা কর্মকর্তার দাবি, শতভাগ কাজ শেষ না করে চূড়ান্ত বিলের অনৈতিক দাবি প্রত্যাক্ষিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এ অভিযোগ করা হয়েছে।
চলতি অর্থবছরে সরকার বেড়া উপজেলার ১১২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা উপকরণ কেনা (স্লিপ) বাবদ ৭০ লাখ টাকা, রুটিন রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কারে ৩০ লাখ টাকা এবং শ্রেণিকক্ষ সজ্জিতকরণে ২০ লাখ টাকাসহ মোট এক কোটি ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। বরাদ্দকৃত টাকার ৫০ ভাগ টাকা কাজ শুরুর আগেই বিদ্যালয়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে দেয়া হয়। বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের যৌথ স্বাক্ষরে টাকা তুলে নির্ধারিত কাজ করার কথা।
এ দিকে বেশ কিছু প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কাজের মান যাাচাইয়ের আগেই চূড়ান্ত বিলের জন্য চাপ সৃষ্টি করে বলে তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়। বেড়া পৌর এলাকায় কাজের মান সন্তোষজনক হলেও উপজেলার নয়টি ইউনিয়নের বেশির ভাগ কাজ মাত্র ৩০ থেকে ৪০ ভাগ শেষ করা হয়। কিন্তু তারা চূড়ান্ত বিলের জন্য চাপ সৃষ্টি করে। তাদের দাবি না মানায় এসব বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।
অনৈতিক দাবি না মানায় বেড়ার টিও’র বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ
পাবনার বেড়া উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (টিও) আব্দুস ছালামের বিরুদ্ধে উন্নয়ন প্রকল্পের ৩০ ভাগ ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে। কয়েকজন প্রধান শিক্ষক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে মৌখিকভাবে...





