দৈনিক নয়াদিগন্ত পত্রিকার অনলাইন সংস্কারে ১৬ জুন ‘ঝুপড়ি ঘরে রানী’র মানবেতর জীবন’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর গতকাল রোববার ঘর মেরামতের জন্য ১৬পিচ (২ বান) ঢেউটিন পেলেন নিপা রানী।

এরকম মানবিক একটি সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় পরে দৃষ্টি পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসা: তানিয়া ফেরদৌসের। তিনি ভালো করে খোঁজ খবর নিয়ে তাকে ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রাণালয়ের থেকে বরাদ্ধকৃত ঢেউটিন থেকে তাকে ১৬পিচ টিন ও নগদ ছয় হাজার টাকার চেক তুলে দেয়া হয়। টিন পেয়ে নিপা রানী ও তার স্বামী অণিল হাওলাদার বলেন, আমার ঘরটি ছিলো পাতার বেড়া দিয়ে তৈরি, আর ভাঙ্গা টিনের ছাউনি দিয়ে বানানো ছোট একটি দো-চালা ঘরে থাকতাম। বৃষ্টি এলে ঘরের এক কোণে কোনো মতে নির্ঘুম রাত কাটাতে হতো পরিবারের সকলকে। ঘর মেরামত করলে এখন আর বৃষ্টির পানি পড়বে না।

স্বামী-সন্তান নিয়ে ভালোই থাকতে পারবো। আমাদের থাকার মতো একটু জমি থাকলেও, ভালো ঘর ছিলো না। ঢেউটিন পেয়ে অনেক খুশি। আমাদের মতো গরিবের যে খবর তিনি রেখেছেন, সে হাজার বছর বেঁচে থাকুন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: তানিয়া ফেরদৌস বলেন, নিপা রানীকে নিয়ে সংবাদটি খুব হৃদয়স্পর্শী ছিল। স্থানীয় সংবাদদাতা উত্তম গোলদারের মাধ্যমে তার খোঁজ-খবর নিয়ে নাম লিখে রাখি এবং তাকে ঘর মেরামতের জন্য চেক ও ঢেউটিন পাওয়ার ব্যবস্থা করি। মুজিববর্ষে কোনো পরিবার গৃহহীন থাকবে না। তাই প্রধানমন্ত্রীর এমন দিক নির্দেশনায় প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি। আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর নির্মাণের জন্য অসহায় ও দুঃস্থদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। ‘খ’ শ্রেণীর তালিকায় তাকে একটি ঘর দেয়া হবে।