নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার চরইশ্বর ইউনিয়নের ভাসানচর রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্প থেকে পালানোর সময় ২০জনকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে শিশুসহ ওই ২০ রোহিঙ্গাকে আটক করে উপজেলার জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার আটক হওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে ছয় নারী, তিন পুরুষ ও ১১জন শিশু রয়েছে।

এসব রোহিঙ্গারা বঙ্গোপসাগরের দ্বীপ চ্যানেল হয় মিরসরাইয়ের বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর এলাকা দিয়ে পালানোর চেষ্টা করে।

আটকরা হলেন, মো: আবদুর রহমান (২৭), সেতেরা বেগম (২০), মো: সাব্বির (২৬), সি তা বেগম (২২), রাজিয়া বেগম (২৩), নুরুল করিমা (২০), ছালমা খাতুন (৫০), জামাল হোসেন (২৪), নুর কায়দা (২৫), রুমানা (৬), নুর ফাতেমা (৩), মো: আয়াজ (০৮ মাস), জান্নাত আরা (৪), কিছমত আরা বেগম (২), মরিয়ম (৮ মাস), মো: আবুল কাশেম (৭), ওসমান গনি (৮মাস), মো: আয়াত (৪), জান্নাত আরা (১), সেতেরা (৫)।

পুলিশ আরো জানায়, তারা সবাই ভাসানচর (রোহিঙ্গা শরনরার্থী ক্যাম্প) থেকে সাগর পাড়ি দিয়ে মিরসরাইয়ের বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর এলাকায় আসে। সেখানে বেপজা অর্থনৈতিক অ লের আওতাধীন আনসার ক্যাম্পের এপিসি মো: বোরহান উদ্দিন তাদের বিরুদ্ধে মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন।

জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নুর হোসেন মামুন জানান, রোহিঙ্গারা সাগর পথে ইঞ্জিনচালিত নৌকাযোগে ভাসান চর থেকে বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর এলাকায় ডুকে পড়ে। শনিবার ভোর সাড়ে ৫টায় বেপজা অর্থনৈতিক অ লের সামনে দিয়ে যাওয়ার তিনজন পুরুষ, ছয়জন নারী ও ১১জন শিশুকে আটক করে বেপজায় দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদে তারা মায়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিক বলে স্বীকার করে। পরে তাদের থানায় নিয়ে আসা হয়। তাদের বিরুদ্ধে জোরারগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে এর আগে একই এলাকা থেকে গত ৩০ মে তিন দালালসহ ১০জন রোহিঙ্গা, ২২ জুন ১৪জন এবং গত ১১ জুলাই ১৮ রোহিঙ্গাকে আটক করে জেলহাজতে পাঠায় পুলিশ।

উল্লেখ্য, গত দু’মাসে চট্টগ্রামের মিরসরাই এলাকায় পুলিশের হাতে আটক হয় মোট ৬২জন রোহিঙ্গা।