‘এখন থেকে আমি ও আমার পরিবার বিপদ থেকে মুক্ত। তাই দুধ দিয়ে গোসল করে নিজেকে পাপ মুক্ত করে নিয়েছি। আমার দাদী আমাকে দুধ দিয়ে গোসল করিয়ে ঘরে তুলেছেন।’
কথাগুলো বলেছেন, মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়ন যুবলীগেরসহ সম্পাদক অমিত রাজ।
শনিবার বিকেলে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ১৩ নম্বর বাঁশতৈল ইউনিয়নের অভিরামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে যুবলীগ নেতা অমিত রাজ বলেছেন, প্রেম করে বিয়ে এবং অতঃপর দাম্পত্য জীবনে কলহের জেরে এক সন্তানসহ স্বামী-স্ত্রী ডিভোর্সের পর দুধ দিয়ে গোসল করিয়েছেন আমার দাদী।
ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে প্রেম করে বিয়ে করলেও তাদের সংসারে কলহ শুরু হয়। প্রেমের বিয়েতে ফাটল দেখা দেয়ায় দুই পক্ষই বিপাকে পরেন।
এ বিষয়ে অমিত রাজ বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে গত তিন মাস আগে টুম্পা বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। এ নিয়ে অমিত রাজ মির্জাপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। কিছু দিন আগে টুম্পা বাড়ি ফিরে এসে উল্টো অমিত রাজ ও তার পরিবারের নামে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার বরাবর নারী নির্যাতনের অভিযোগ দেন। এ নিয়ে জেলা ডিবি পুলিশ তদন্তে নামে।
ডিবি পুলিশ একাধিকবার দু’পক্ষকে নিয়ে শালিস বসেও ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান করতে পারেনি। গতকাল শনিবার টাঙ্গাইল ডিবি অফিসে উভয় পক্ষকে নিয়ে তদন্ত কর্মকর্তা মোক্তার হোসেন সমাধানের জন্য শালিসে বসেন। শালিসে তিন লাখ টাকার বিনিময়ে টুম্পার ডিভোর্সের সিন্ধান্ত হয়। নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে ডিভোর্স হয়। যুবলীগ নেতা অমিত রাজ কোর্টের মাধ্যমে তিন লাখ টাকা টুম্পাকে দিয়ে তার শিশু সন্তান আরিয়ান হাসান চাঁদকে তার বাড়ি নিয়ে আসেন।
জানা গেছে, অমিত রাজ মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়ন যুবলীগেরসহ সম্পাদক। বাঁশতৈল ইউনিয়নের অভিরামপুর গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে অমিত রাজ ।
অপর দিকে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার হাতিবান্ধা ইউনিয়নের রাজাবাড়ি গ্রামের মিজানুর রহমানের মেয়ে টুম্পা আক্তারের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পরে তাকে গত চার বছর আগে বিয়ে করেন যুবলীগ নেতা অমিত রাজ।
স্বামী-স্ত্রীর ডিভোর্সের পর যুবলীগ নেতা অমিত রাজ বাড়ি ফিরে এলে তার দাদী দুধ দিয়ে গোসল করিয়ে বাড়িতে তোলেন।
যুবলীগ নেতা অমিত রাজকে দুধ দিয়ে গোসলের এই ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের সংসারে আরিয়ান হাসান চাঁদ নামে তিন বছরের ছেলে সন্তান রয়েছে।









