আমদানি শুল্ক কমিয়ে দেয়াই হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানির সকল প্রস্তুতি প্রায় শেষ করে এনেছে বন্দরের চাল আমদানিকারকরা। ইতোমধ্যে খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে বেশ কয়েকজন আমদানিকারক চাল আমদানির অনুমতিও পেয়েছেন। চাল আমদানির লক্ষে খোলা হয়েছে বেশ কয়েকটি ঋণপত্র বা এলসি। তবে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক চাল আমদানি ও বাজারজাত করণে পর্যাপ্ত সময় না দেয়ায় কিছুটা বেকায়দায় বন্দরের আমদানিকারকরা।
আগামী ৮ থেকে ১০ দিনের মধ্যে আমদানি করা এসব চাল বন্দরে প্রবেশ করতে পারে বলে জানিয়েছেন আমদানিকারকরা। ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু হলে দেশের বাজারে চালের দাম কমে আসবে বলেও মনে করেন তারা।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক চাল আমদানির অনুমতি পাওয়া প্রতিষ্ঠানকে বরাদ্দ পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে এলসি বা ঋণপত্র খুলতে হবে এবং আগামী ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আমদানিকৃত চাল বাজার জাত করতে হবে।
এ প্রসঙ্গে হিলি স্থলবন্দরের চাল আমদানিকারকরা জানিয়েছেন, এতো কম সময়ের মধ্যে চাল আমদানি করে বাজারজাত করা কষ্টসাধ্য ব্যপার। আমদানি ও বাজারজাত করণে কিছু দিন সময় বাড়িয়ে দিলে ব্যবসায়ীরা স্বস্তির সাথে চাল আমদানি করতে পারতো।
এদিকে হিলি কাস্টমসের উপ-কমিশনার কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বন্দরে চাল আমদানি শুরু হলে সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়বে। চাল নিত্য পণ্য হওয়ায় তা ছাড় করণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
খোলাবাজারে চালের দাম উর্ধমুখী ঠেকাতে বিদেশ থেকে চাল আমদানিতে চালের আমদানি শুল্ক ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে সম্প্রতি ২৫ দশমিক ৭৫ শতাংশে নামিয়ে আনে সরকার। ফলে আবারো সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে বন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানি।









