জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বুধবার পাউবা সূত্রে জানা যায়, দেওয়ানগঞ্জ যমুনার বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে গত ২৪ ঘণ্টায় বন্যার পানি ১৪ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৪৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। সদরসহ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে রোপা আমন, বীজতলা, শাক সবজির বাগান ডুবে গেছে। বন্যায় ২ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
দেওয়ানগঞ্জ-খোলাবাড়ী সড়কের মন্ডল বাজারে প্রায় ৪০০ফিট সড়র ভেঙে ১০ গ্রামের মানুষের চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। তারা ছোট নৌকা, ভেলা ও সাঁতরে পারাপার হচ্ছে। হাতিভাঙ্গা কাঠারবিলে প্রধান সড়কের বৃহৎ অংশ ভাঙনে বিলীন হয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে বন্যার পানির তোড়ে ওই সড়ক ভেঙে গিয়ে অন্তত ২০ গ্রাম ডুবে যেতে পারে এবং শত শত একর জমির ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। চুকাইবাড়ী গুজিমারি গুচ্ছগ্রাম পানিতে তলিয়ে গেছে। শতাধিক পরিবার সেখান থেকে চলে এসে পরিবার পরিজন নিয়ে আশ্রয় নিয়েছে রেলওয়ে হাইস্কুলে। মঙ্গলবার ৭০টি পরিবার প্রতি ১০ কেজি চাল ও ৫০০ শত টাকা এবং চর হরিণধরা গুচ্ছগ্রামের ২০০ পরিবারকে চাল, ডালসহ অন্যান্য সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে বলে জানান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এনামুল হাসান।
এছাড়া উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল, প্রবল বর্ষন, বন্যার পানি বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্রহ্মপুত্র, যমুনা ও শাখা নদ নদীতে প্রবল ভাঙন দেখা দিয়েছে।





