নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম স্বপনের ওপর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার নেতৃত্বে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জেলা জাতীয় পার্টির উদ্যোগে সদর উপজেলার মাইজদীর টাইনহল মোড়ে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
নোয়াখালী জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক বোরহান উদ্দিন আহম্মেদের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক অহিদ উদ্দিন মুকুল, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার নেতৃত্বে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম স্বপনের ওপর হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায়া আনার দাবি জানান।
নির্যাতিত স্বপন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৫ (কবিরহাট-কোম্পানীগঞ্জ) আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ছিলেন। এ ছাড়াও নোয়াখালী জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক। তিনি উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ডের মোখলেছের রহমান পন্ডিত বাড়ির জিয়াউল হক জিয়ার ছেলে।
গত বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে জাপা নেতা সাইফুল ইসলাম স্বপনকে বসুরহাট বাজারের কালামিয়া ম্যানশনের সামনে থেকে কাদের মির্জার নেতৃত্বে তার অনুসারীরা তুলে নিয়ে যান। এরপর রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত পৌরসভা ভবনের তৃতীয় তলার একটি কক্ষে তাকে আটকে রেখে নির্মমভাবে নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগ করেছেন তার ছেলে মইনুল ইসলাম শাওন।
শাওন আরো অভিযোগ করেন, ‘বাবার সাথে থাকা টাকা, মোটরসাইকেল, মুঠোফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায়। বাবাকে এমনভাবে মারধর করা হয়েছে শুধু কোনোরকম জানটা রাখছে। কোম্পানীগঞ্জে রাজনীতিতে মির্জার বিরুদ্ধে যারা আছে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়ার জন্য বাবাকে চাপ দেয় মির্জা। তার প্রতিপক্ষরা যেসব অনিয়ম করে নাই, সেগুলো করছে বলে তাদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেয়ার জন্য বলে। একপর্যায়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আবদুল লতিফ মেম্বারকে ডেকে নিয়ে মুমূর্ষ অবস্থায় তার কাছে বাবাকে হস্তান্তর করেন।’









