গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় সুপ্রিয়া বাড়ৈ (৭) নামে দ্বিতীয় শ্রেণীর এক শিক্ষার্থী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। শনিবার সকালে উপজেলার শিমুলবাড়ী গ্রামে এ চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। নিহত শিক্ষার্থী হাজরাবাড়ী গ্রামের টুকলাল বাড়ৈর মেয়ে এবং শিমুলবাড়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত শিক্ষার্থী সুপ্রিয়া বাড়ৈ তার মায়ের সাথে মামাবাড়িতে থেকে পড়াশোনা করত। রোববার সকালে সুপ্রিয়া ঘুম থেকে দেরি করে ওঠায় তার মামা অমৃত বল্লভ (৩০) বকাবকি করেন। এর কিছু সময় পরেই সুপ্রিয়া বাড়ৈকে ঘরের আড়ার সাথে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলতে দেখা যায়। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শিক্ষার্থীর মা অমিও বাড়ৈ জানান, পাশের হাজরাবাড়ী গ্রামে তার শ্বশুরবাড়ি কিন্তু ওই বাড়ির সাথে মনমালিন্যের কারণে তিনি একমাত্র মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়িতে থাকেন। বিষয়টি তার দুই ভাই অমৃত বল্লভ (৩০) ও দিপংকর বল্লভ (২৫) মানতে পারত না। শুধু প্রতিহিংসার কারণে দুই ভাই মিলে তার মেয়েকে খুন করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখেছে। তিনি তার ভাইদের শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে কোটালীপাড়া থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, মেয়েটির লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।