কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে স্বামীর নির্যাতনে গোলাপী বেগম নামের পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুড়িগ্রাম মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

গোলাপী বেগম শিলখুড়ি ইউনিয়নের উত্তর ধলডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল গফুরের মেয়ে। একই ইউনিয়নের উত্তর ধলডাঙ্গা গ্রামের আব্দুস ছামাদের ছেলে কফিল উদ্দিনের সাথে প্রায় সাত বছর আগে গোলাপী বেগমের বিয়ে হয়।

জানা গেছে, সোমবার বিকেলে ভূরুঙ্গামারীর শিলখুড়ি ইউনিয়নের উত্তর ধলডাঙ্গার শালঝোড় গ্রামে গোলাপী বেগমের সাথে স্বামী কফিল উদ্দিনের ঝগড়া বাঁধে। ঝগড়ার একপর্যায়ে কফিল উদ্দিন অন্তঃসত্ত্বা গোলাপীকে শারীরিক নির্যাতন করে। এতে তিনি জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে পড়ে যান। পরে গ্রাম্য চিকিৎসককে দিয়ে গোলাপীর প্রাথমিক চিকিৎসা করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে সন্ধ্যায় তাকে ভূরুঙ্গামারী হাসপাতালে আনা হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ বিষয়টি জানার পর নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে লাশ থানায় নিয়ে যায়। পরে মঙ্গলবার ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুড়িগ্রাম মর্গে পাঠায়।

ভূরুঙ্গামারী হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক নাঈমা হক রিফাত জানান, গোলাপী বেগমকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল।

ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি আলমগীর হোসেন জানান, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুড়িগ্রাম মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।