কয়রায় ট্রিপল মার্ডারের সাত দিন অতিবাহিত হলেও ‘ক্লু’ উদঘাটন হয়নি। সর্বশেষ নিহত হাবিবুল্লাহ গাজীর বিরুদ্ধে তক্ষক সাপ কেনা-বেচা ও বহিরাগতদের নিয়ে জুয়ার আসর বসানোর অভিযোগ উঠেছে। এ সকল বিষয়কে সামনে রেখে নতুনভাবে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

এদিকে লাশ উদ্ধারের দিন থেকে আসামি রাজিয়া সুলতানার স্বামী কুদ্দুস গাজী নিখোঁজ রয়েছেন। গত ২৬ অক্টোবর মঙ্গলবার রাতে খুলনার নিরালা এলাকায় সর্বশেষ তাকে দেখা যায় দাবি স্বজনদের। এরপর থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো টিম তাকে আটক করে থাকতে বলে ধারণা করছেন তার সন্তানসহ
স্বজনরা। তবে সুলতানার স্বামী কুদ্দুস গাজীকে আটকের বিষয়টি অস্বীকার করেছে পুলিশ।

উল্লেখ্য, গত ২৫ অক্টোবর রাতে উপজেলার বাগালী ইউনিয়নের বামিয়া গ্রামের হাবিবুল্লাহ গাজী (৩৩), স্ত্রী বিউটি খাতুন (২৫) ও একমাত্র মেয়ে হাবিবা খাতুন টুনি'কে (১৩) নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পরদিন সকালে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে তাদের লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়দের খবরে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

স্থানীয়রা জানায়, হাবিবুল্লাহ গাজী তক্ষক কেনা-বেচার সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাদের ধারণা, তক্ষক কেনা-বেচা নিয়ে শত্রুতার জেরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হতে পারে।

কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: রবিউল হোসেন জানান, সর্বশেষ তক্ষক কেনা-বেচার সাথে সম্পৃক্ততার বিষয়টিকে মাথায় রেখে তদন্ত চলমান রয়েছে। এছাড়াও কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলাদাভাবে তদন্তকাজ চলমান। যে কোনো উপায়ে হত্যার মোটিভ উদঘাটন করা হবে বলেও জানান তিনি।