বাংলাদেশ প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার রায়ে তার মা সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেছেন, মামলায় যাবজজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ প্রাপ্তদেরও ফাঁসির আওতায় আনতে হবে। তা না হলে আমরা তাদের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাবো।

তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের অন্যতম আসামি অমিতের ফাঁসির রায় আশা করেছিলাম কেননা অমিত ঘটনাস্থলে না থাকলেও ফোনে এবং সব কিছুতেই তার সম্পৃক্ততা ছিল।

বুধবার দুপুর ১২টার দিকে আবরারের মামলার রায় ঘোষণার মুহূর্তে আবরারের মা ছিলেন কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই রোডস্থ বাসায়। মামলার রায় শুনতে ১২টার দিকে তিনি টিভির রুমে প্রবেশ করেন। এ সময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।

তিনি বলেন, আজ (বুধবার) ফায়াজের পরীক্ষা ছিল। কেউ ফোন দিয়ে জিজ্ঞাসা করেনি। কিন্তু আবরার থাকলে ঠিকই ফায়াজের পরীক্ষার খবর নিতো। ১২টার দিকে টিভির পর্দায় আবরারের রায় ঘোষণা দেখতে পেয়ে তিনি কান্না শুরু করেন।

এ সময় তিনি সাংবাদিকদের জানান, আদালত যে রায় দিয়েছে তাতে আমি এবং আমার পরিবার সন্তুষ্ট। তবে বাকি ৫ জনকে (যাবজ্জীবনপ্রাপ্তরা) ফাঁসির আদেশ না দেয়ার বিষয়টি আমরা ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না। তিনি দ্রুত এই ফাঁসির রায় কার্যকরের পাশাপাশি বাকি ৫ জনের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাবেন বলেও জানান।

আবরারের ছোট ভাই ফায়াজ সাংবাদিকদের বলেন, আমরা রায়ে খুশি তবে সকলের ফাঁসির আদেশ হলে আমরা আরো খুশি হতাম। ফায়াজ বলেন, আমরা বাকি ৫ জনের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবো।

রায় ঘোষণার সময় তাদের পাশে ছিলেন আবরারের চাচা, মামা, চাচী, মামী এবং খালতো ভাইসহ বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা।