পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার ২ নম্বর ধানীসাফা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে বুধবার রাতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের হামলায় নৌকা প্রার্থীর কর্মী, ইউনিয়ন যুবলীগ সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান বিপ্লব হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন ও মাথায় গুরুতর জখমের ঘটনায় থানায় হত্যা চেষ্টা মামলা হয়েছে।

আহতের বড় ভাই আওয়ামী লীগ নেতা মিলটন বেপারী বৃহস্পতিবার রাতে ছাত্রলীগ কর্মী মো: সোহেলকে (ফল সোহেল) প্রধান করে এজাহার নামিয় ৩২ জন ও অজ্ঞাত ১৪ জনকে আসামি করে এ হত্যা চেষ্টা মামলাটি করেন। পুলিশ এমামলার এজাহার নামিয় আসামি ফরিদ ও মারুফ নামের দুজনকে গ্রেফতার করে শুক্রবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় বিপ্লব ধানীসাফা ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী হারুন অর রশিদ তালুকদারের নৌকা মার্কার স্টিকার লাগানো নিয়ে আলগী বাজারে দলীয় কার্যালয়ে যান। রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রফেসর রফিকুল ইসলামের (চশমা প্রতীক) সমর্থক আলগী গ্রামের ফারুক আকনের ছেলে ফরিদ আকনের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী বিপ্লব বেপারীর ওপর হামলা করে। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে ফেলে রাখে যায়। এতে তার বাম হাতের কব্জি এবং ডান হাতের একটি আঙ্গুল প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এছাড়া মাথা, পিঠ ও দুই হাতে ধারালো অস্ত্রের কোপে একাধিক জখম হয়। বর্তমানে বিপ্লব বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহা. নূরুল ইসলাম বাদল মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতার পুলিশি চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।