ঘন কুয়াশা থাকায় দেবীগঞ্জের বিভিন্ন সড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহনগুলো। তীব্র শীতে নিম্ন আয়ের লোকজন কাহিল হয়ে পড়েছেন। ঘরে বসে অনেকের দিন কাটছে হতাশায়।

দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের লোকজন খড়-কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। গরম কাপড়ের অভাবে অনেক হতদরিদ্র মানুষ বাড়ি থেকে বের হতে না পারায় কাজেও যোগ দিতে পারছেন না। কাজ করতে না পারায় তারা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে।

এদিকে সকালের দিকে রোদের তাপ ধীরে ধীরে বাড়লেও বিকেল হতেই বইতে শুরু করে উত্তরের হিমবাতাস। সেইসাথে বাড়তে থাকে শীতের প্রকোপ। সন্ধ্যা হতেই মানুষজন বাজারের প্রয়োজনীয় কাজ সেরে হচ্ছেন ঘরমুখী।

দেবীগঞ্জের বাসিন্দা ধীমান বাবু জানান, পঞ্চগড়ে প্রচণ্ড শীত পড়েছে। মোটা কাপড় পড়েছি তবু শীত মানছে না। ভোরে রাস্তায় বের হয়ে দেখি গুড়িগুড়ি বৃষ্টির ফোটায় কুয়াশা ঝড়ছে। রাস্তায় চলাফেরা করতে খুব কষ্ট হচ্ছে।

স্থানীয় অটোচালক আব্দুল মালেক বলেন, ‘ভোরে গাড়ী নিয়ে বের হয়েছি আয় করার জন্য। কিন্তু ঘন কুয়াশা থাকায় যাত্রী বাড়ি থেকে বের হয় না। যাত্রী না থাকায় ভাড়া পাচ্ছি না। আমরা খুব কষ্টে দিন-যাপন করছি। এ সময় সরকারের কিছু সহায়তা পেলে আমরা উপকৃত হতাম।’

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: রাসেল শাহ জানিয়েছেন, পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ওঠানামা করছে।

শনিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস।