পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ইউপি নির্বাচনের প্রচারণায় আ‘লীগ প্রার্থীর কর্মী যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান বিপ্লবের (৪০) হাতের কব্জি কাটার ঘটনায় করা মামলার এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।
গাজিপুর জেলার টঙ্গী থানা (পশ্চিম) এলাকার বস্তি থেকে এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি ফয়সাল বেপারীবে (২২) টঙ্গী থানা পুলিশের সহযোগিতায় গ্রেফতার করে বুধবার রাতে মঠবাড়িয়া থানায় হাজির করা হয়।
গ্রেফতার ফয়সাল উপজেলার তেতুলবাড়িয়া গ্রামের দুলাল বেপারীর ছেলে। পুলিশ এ মামলায় এখন পর্যন্ত ১০ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ধানীসাফা ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি বিপ্লব গত ২২ ডিসেম্বর‘ (২০২১) রাত পৌনে ১০টার দিকে ধানীসাফা ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হারুন অর রশিদ তালুকদারের নৌকা মার্কার স্টিকার নিয়ে আলগী বাজারে দলীয় কার্যালয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হন। স্থানীয় আলগী বাজার সংলগ্ন মসজিদের সামনে পৌঁছানো মাত্রই পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী রফিকুল ইসলামের (রফিক প্রফেসর) সমর্থকরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়।
এতে তার বাম হাতের কব্জি ও ডান হাতের একটি আঙ্গুল প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এছাড়া মাথা, পিঠ ও দুই হাতে ধারালো অস্ত্রের কোপে একাধিক জখম হয়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল হতে গুরুতর আহত বিপ্লবকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এ সময় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই রাতেই তাকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠান।
এ ঘটনায় ২৩ ডিসেম্বর রাতে আহত বিপ্লবের ভাই মিল্টন মিয়া মঠবাড়িয়া থানায় ৩২ জন নামীয় ও অজ্ঞাত ১৫ জনের বিরুদ্ধে এ মামলাটি দায়ের করেন।
মঠবাড়িয়া থানার ওসি মুহা: নূরুল ইসলাম বাদল বলেন, গ্রেফতার ফয়সাল বেপারী বৃহস্পতিবার দুপুরের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্যান্য আসামি গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।





