মেয়েটি চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজে অনার্স শেষ বর্ষের ইতিহাস বিভাগে পড়ছেন। আজ ছিল তার পরীক্ষা, সাথে ইউনিয়ন পরিষদ ভোটও। তাই পরীক্ষা শেষ করে সোজা চলে এলেন সদর উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়নের ছোট শলুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রে।
অন্যন্যা আফরিন হাসি নামের ওই মেয়েটি নিজের প্রথম ভোট দেয়ার অভিজ্ঞতা জানালেন নয়া দিগন্তকে। ‘এবারই আমি প্রথম ভোট দিয়েছি। যদিও আজকে আমার শেষ বর্ষের পরীক্ষা ছিল। দুপুর ১টায় পরীক্ষা শেষ হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা সরকারি আদর্শ মহিলা কলেজে পরীক্ষা শেষ করে ভোটকেন্দ্রে আসি দুপুর ২টায়। প্রথমবার ভোট দিতে পেরে খুবই ভালোলাগা অনুভূত হচ্ছে।’
নিজের প্রথম ভোট দেয়ার অনুভূতি জানিয়ে অন্য একজন বলেন, ‘এটি খুবই সুন্দর স্মৃতি ও অনুভূতি। প্রায় এক যুগ পর আমাদের ইউনিয়নে ভোট অনুষ্ঠিত হলো। যদিও চুয়াডাঙ্গায় এর আগে ভোটচুরিসহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তবে এখানে এত সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে ভোট দেয়ার সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইনি। সুন্দর ভোট অনুষ্ঠান আমাদের জন্য উৎসবের। সবখানে সুষ্ঠু ভোট অনুষ্ঠান হোক সেটাই আশা করি।





